হাইতিকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

০৯: ১২

আজকের মতো বিদায়!

ব্রাজিলের নজরকাড়া অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স আর জয়ের আনন্দে শেষ হলো আজকের লাইভ। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ফর্মে ফিরে আসতে দেখা এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

এই ম্যাচের পোস্ট-ম্যাচ ও বিশ্লেষণ দেখার জন্য চোখ রাখুন দৈনিক আমার দেশ-এর অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে। ফের দেখা হবে বড় কোনো ম্যাচে।

০৯: ১২

ব্রাজিল ও হাইতির পরের খেলা

ব্রাজিল তাদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে, আর হাইতির প্রতিপক্ষ মরক্কো।

এই দুটি ম্যাচই বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ভোর ৪টায় শুরু হবে।

০৮: ৩৫

দারুণ জয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

দারুণ জয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

ফুল টাইম: ব্রাজিল ৩–০ হাইতি

রেফারির শেষ বাঁশিতে শেষ হলো একতরফা দ্বিতীয়ার্ধের লড়াই। তবে প্রথম ৪৫ মিনিটেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল ব্রাজিল, আর সেটিই যথেষ্ট ছিল পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করতে।

ম্যাচে দুই গোল করেন মাতেউস কুনহা এবং একটি গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তাদের এই পারফরম্যান্সে কার্লো আনচেলত্তির দল গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষে উঠে গেছে।

দ্বিতীয়ার্ধে হাইতি কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের রক্ষণভাগ সহজেই তা সামলে নেয়। ফলে ৩–০ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ।

হাইতি ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের কিছু বিষয় নিয়ে এখনও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, যা টুর্নামেন্টের বাকি অংশের আগেই আনচেলত্তিকে সমাধান করতে হবে।

এদিকে, শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পরও হাইতি হয়ে গেল ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে ছিটকে পড়া প্রথম দল।

০৮: ৩০

নির্ধারিত সময় শেষ, চলছে ৫ মিনিট যোগ করা সময়

মার্টিনেলি দারুণ গতিতে উইং ধরে এগিয়ে যান এবং বক্সের ভেতর দারুণ এক ক্রস পাঠান। দূরের পোস্টে এসে স্লাইড করে বলের নাগাল পাওয়ার চেষ্টা করেন এডারসন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি সেটিকে জালে পাঠাতে পারেননি।

এরপর ম্যাচে অতিরিক্ত পাঁচ মিনিট যোগ করা হয়েছে।

০৮: ২৫

অফসাইডের ফাঁদে এন্ড্রিক

অফসাইডের ফাঁদে এন্ড্রিক

এন্ড্রিক বল জালে জড়ালেও অফসাইডের পতাকা তোলেন রেফারি।

রায়ান এক দারুণ থ্রু পাসে তরুণ এই ফরোয়ার্ডকে খুঁজে নেন। এরপর ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে পাঠান এন্ড্রিক, কিন্তু লাইন্সম্যান সঙ্গে সঙ্গেই অফসাইডের ইঙ্গিত দেন।

০৮: ২২

ব্রাজিল মাঝমাঠের কাছ থেকে একটি ফ্রি-কিক পায়। গুইমারায়েস বলটি ডি-বক্সের দিকে ভাসিয়ে দিলে দানিলো হেড করে সেটি আবার বিপজ্জনক জায়গায় পাঠালেও হাইতির ডিফেন্ডাররা শেষ মুহূর্তে বল ক্লিয়ার করেন।

এরপর ভিনিসিয়ুসের দারুণ ব্যাক-ফ্লিকের পর মার্টিনেলি জোরালো শট নিলেও বল ক্রসবারে লাগে। তবে এই আক্রমণের শুরুতেই অফসাইডের পতাকা তুলে দেন রেফারি।

০৮: ০৩

রক্ষণ দৃঢ়তায় রক্ষা ব্রাজিলের

কর্নার থেকে অ্যাদের শক্তিশালী হেডার!

গোলের খুব কাছ থেকে নেওয়া সেই হেডার ঠেকিয়ে দেন আলিসন—অসাধারণ এক পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক সেভ। এরপর পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, তবে ডানিলো বল ক্লিয়ার করে দলকে বাঁচান।

এরপর ব্রাজিল দলে দুই পরিবর্তন আসে—কুনহা এবং প্যাকেতা মাঠ ছাড়েন, তাদের বদলে নামেন এন্ড্রিক ও মার্টিনেল্লি।

০৭: ৫৮

ব্রাজিল-হাইতির পাল্টা আক্রমণ

ব্রাজিল-হাইতির পাল্টা আক্রমণ

দারুণ সুযোগ ছিল! ভিনিসিয়ুস আবারও ডিফেন্সের পেছনে দৌড়ে বল পেয়ে যান। তিনি তার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভেতরে ঢুকে শট নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ডেলক্রোইক্স অসাধারণভাবে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুরো বক্সের বাঁ পাশ থেকে ডান পাশে পর্যন্ত গিয়ে ভিনিসিয়ুসকে শেষ পর্যন্ত পাস দিতে বাধ্য করেন।

এরপর হাইতি দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে যায়। এক্সপেরিয়েন্স একটি ক্রস তুলে দেন বক্সে, গ্যাব্রিয়েল সেটি পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। বল পেয়ে বেলেগার্দ ভলি নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে প্যাকেতা দ্রুত ট্যাকলে বল দূরে সরিয়ে দেন।

০৭: ৪৭

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে হাইতি কিছুটা সময় বল দখলে রাখার চেষ্টা করছে। যদিও তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করার মতো অবস্থানে আছে ব্রাজিল, তবুও তারা আরও গোলের খোঁজেই রয়েছে।

ডানিলোর একটি ভুল পাস থেকে সুযোগ পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন ইসিদর, তবে তা ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা ব্লক করে দেয়।

০৭: ৪৩

হাফটাইম পরিসংখ্যান ও রেকর্ড:

এটি টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ যেখানে ব্রাজিল প্রথমার্ধেই ৩ বা তার বেশি গোল করেছে। এর আগে ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধেই তারা ৪ গোল করেছিল। তারও আগে ২০০২ বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে ব্রাজিল শেষবার প্রথমার্ধে ৩ বা তার বেশি গোল করেছিল। এছাড়া একই আসরে চীনের বিপক্ষেও এই কীর্তি গড়েছিল সেলেসাওরা।

আরেকটি তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে দশমবারের মতো কোনো ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রথমার্ধেই ২ বা তার বেশি গোল করেছেন—যা কোনো দেশের জন্যই সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বশেষ এমন কীর্তি ছিল ২০১৪ বিশ্বকাপে নেইমারের (ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে)।

এদিকে ইতিহাস গড়ার সুযোগে আছেন কুনহার। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মাত্র তিনটি হ্যাটট্রিক রয়েছে—পেলে (১৯৫৮ বনাম ফ্রান্স), আদেমির (১৯৫০ বনাম সুইডেন, ৪ গোল) এবং লিওনিদাস দা সিলভা (১৯৩৮ বনাম পোল্যান্ড)। দ্বিতীয়ার্ধে কুনহা কি পারবেন চতুর্থ হ্যাটট্রিক এনে ইতিহাসে নাম লেখাতে—সেটাই এখন দেখার বিষয়।

০৭: ২৭

স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে ব্রাজিল

স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে ব্রাজিল

হাফটাইম!!

ব্রাজিল প্রথমার্ধ শেষে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে। আক্রমণাত্মক খেলায় একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান আরও বড় করার সুযোগ হাতছাড়া করেছে সেলেসাওরা।

তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে রাফিনিয়ার চোট। কোনো মেডিকেল সহায়তা ছাড়াই তিনি মাঠ ছাড়েন, যা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ব্রাজিল শিবিরে।

০৭: ২৫

ভিনিসিয়ুসের গোলে ৩–০ তে এগিয়ে ব্রাজিল

ভিনিসিয়ুসের গোলে ৩–০ তে এগিয়ে ব্রাজিল

পাকেতার দারুণ থ্রু বল ধরে অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে এগিয়ে যান ভিনিসিয়ুস। এরপর গোলরক্ষক প্লাসিদের সামনে গিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান বাড়ান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। তাতে বিরতির আগেই ৩–০ গোলে এগিয়ে গেল ব্রাজিল।

০৭: ১৭

ইনজুরিতে রাফিনহা!

ফিলাডেলফিয়ায় ম্যাচের মাঝপথেই বড় ধাক্কা খেল ব্রাজিল। রাফিনহা ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।

বাম দিকের টাচলাইনের কাছে ফাউলের শিকার হওয়ার পর তিনি কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে সতীর্থ ভিনিসিয়ুস তার কাছে গিয়ে কথা বলেন। তবে পরিস্থিতি দ্রুত খারাপের দিকে গেলে আর খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি রাফিনহা। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন রায়ান।

০৭: ১৪

কুনহার জোড়ায় ব্যবধান ২-০

কুনহার জোড়ায় ব্যবধান ২-০

৩৬ মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন কুনহা। ভিনিসিয়ুসের নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে দারুণ এক শটে বাম পাশের ওপরের কোণে বল জড়িয়ে দেন তিনি। এর আগে ডগলাস সান্তোস প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে আক্রমণের সূচনা করেন। এই গোলের মাধ্যমে ব্রাজিল ব্যবধান বাড়াল, ২–০।

০৭: ০৩

কুনহার গোলে এগিয়ে ব্রাজিল

কুনহার গোলে এগিয়ে ব্রাজিল

গোল!!! ছয় গজ বক্সের ভেতর থেকে বল পেয়ে দলকে এগিয়ে নিলেন কুনহা। ভিনিসিয়ুস দারুণ এক বাঁকানো নিয়েছিলেন কিন্তু হাইতির গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই শট রুখে দেন। তবে বল রাখতে পারেননি। ফিরতি বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন ডেলক্রোইক্স, তবে ক্লিয়ারেন্স ঠিকমতো না হওয়ায় বল গিয়ে পড়ে কুনহার সামনে। কাছ থেকে সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠান এ তারকা খেলোয়াড়।

০৬: ৫১

গ্যাালারিতে রোনালদো-রোনালদিনহো জুটি

ফিলাডেলফিয়ার গ্যালারিতে দুটি পরিচিত মুখ দেখা যাচ্ছে। ব্রাজিলের হয়ে সবশেষ ২০০২ বিশ্বকাপ জেতা রোনালদো এবং রোনালদিনহো স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়েছেন তাদের দলকে সমর্থন দিতে।

০৬: ৪৯

অফসাইডের ফাঁদে রাফিনহা

১২তম মিনিটে রাফিনহার গোল বাতিল হয়ে যায়, কারণ সঙ্গে সঙ্গেই লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তুলে দেন। তবুও সেই আক্রমণে স্পষ্ট যে, ব্রাজিল কতটা বড় হুমকি তৈরি করতে পারে। সে লক্ষ্যেই খেলছে তারা।

০৬: ৪৬

রক্ষণ সামলে হাইতির পাল্টা আক্রমণ

হাইতি শুধু রক্ষণ সামলাচ্ছে না, বরং চাপ তৈরি করার চেষ্টাও করছে। হাইতির কেউ বল পেলেই ব্রাজিলের গোলেপোস্টের পেছনে থাকা কিছু হাইতিয়ান সমর্থক একসঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে তাদের দলকে স্বাগত জানাচ্ছে। ফলে ব্রাজিলকে এখন বেশ সতর্ক থাকতে হচ্ছে।

০৬: ৪১

ব্রাজিলের কর্নার, হাইতির ক্লিয়ার

ব্রাজিলের কর্নার, হাইতির ক্লিয়ার

হাইতির গোলরক্ষক গোল কিক নিতে একটু বেশি সময় নিলে ব্রাজিল একটি কর্নার পায়। কর্নার থেকে ভেসে আসা বলটি পোস্টের দিকে গেলেও হাইতির এক ডিফেন্ডার সেটি ক্লিয়ার করে দেন।

০৬: ৪১

ফাউলের শিকার ভিনিসিয়ুস

বাম প্রান্তে জ্যাঁ জ্যাকের ট্যাকলে ফাউলের শিকার হন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এ উইঙ্গারকে কিছুটা ব্যথায় কাতরাতে দেখা গেলেও তিনি খেলা চালিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় আছেন। এর কিছুক্ষণ পর আবারও ফাউল করেন জ্যাক, নেমেছেন ডগলাস সান্তোস।

০৬: ৪১

রাফিনহার সুযোগ!

ডান প্রান্তে কিছুটা ফাঁকা জায়গা পেয়েছিলেন রাফিনিয়া, কিন্তু গতির সঙ্গে বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। মরক্কোর বিপক্ষে তিনি নিজের সেরা খেলাটা খেলতে পারেননি, তাই আজ আরও ভালো পারফরম্যান্সের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছেন।

০৬: ৩৪

বাঁশি বাজল, খেলা শুরু!

ব্রাজিল বাম দিক থেকে ডান দিকে আক্রমণ শুরু করেছে। দৃষ্টিনন্দন সাদা জার্সিতে হাইতি খেলছে বিপরীত প্রান্তে। এখন দেখার বিষয়, শুরু থেকেই কে নিজেদের ছন্দটা ধরে রাখতে পারে।

০৬: ৩০

জাতীয় সংগীত চলছে!

ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়াম যেন হলুদ রঙে ছেয়ে গেছে, শুরু হয়েছে ব্রাজিলের জাতীয় সংগীত। গ্যালারিজুড়ে উচ্ছ্বসিত সমর্থকদের আবেগঘন কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে সংগীতের সুর।

০৬: ২৯

বস্টনে শেষ হাসি মরক্কোর

বস্টনে শেষ হাসি মরক্কোর

রাতের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রবল চাপ সামলে ১-০ গোলের গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে মরক্কো। এই জয়ে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষে উঠে গেছে উত্তর আফ্রিকার দলটি।

ম্যাচের মাত্র ৭০ সেকেন্ডেই জয়সূচক গোলটি করেন ইসমাইল সাইবারি। দুর্দান্ত ফিনিশে বল জালের ছাদে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সেই গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

০৬: ২৪

ব্রাজিল বনাম হাইতি: মুখোমুখি পরিসংখ্যান

ব্রাজিল বনাম হাইতি: মুখোমুখি পরিসংখ্যান

আন্তর্জাতিক ম্যাচের ইতিহাসে মাত্র একবারই মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল ও হাইতি। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত কোপা আমেরিকায় দুই দলের সেই একমাত্র সাক্ষাতে হাইতিকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ব্রাজিল।

সেই ম্যাচে ব্রাজিলের বড় জয়ের নায়ক ছিলেন ফিলিপে কৌতিনিয়ো, যিনি হ্যাটট্রিক করেছিলেন। এছাড়া বর্তমান ব্রাজিল স্কোয়াডের কয়েকজন অভিজ্ঞ তারকা—কাসেমিরো, আলিসন বেকার, মারকিনিয়োস, ফাবিনিয়ো এবং ডগলাস সান্তোস—সেই ম্যাচের দলেও ছিলেন।

মুখোমুখি রেকর্ড

ম্যাচ: ১
ব্রাজিল জয়: ১
হাইতি জয়: ০
ড্র: ০
গোল: ব্রাজিল ৭, হাইতি ১

আজকের বিশ্বকাপ ম্যাচে হাইতির সামনে তাই ইতিহাসের প্রথম ইতিবাচক ফল আনার চ্যালেঞ্জ, আর ব্রাজিল চাইবে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে।

০৬: ২০

ব্রাজিল বনাম হাইতি: শুরুর একাদশ

ব্রাজিল বনাম হাইতি: শুরুর একাদশ

হাইতি (৪-৪-২)
প্লাসিদে (গোলরক্ষক), এক্সপেরিয়েন্স, ডেলক্রোয়া, আদে, আর্কুস, প্রভিডেন্স, বেলেগার্দে, জ্যাকস, ডুভার্নে, পিয়েরো, কাসিমির।

ব্রাজিল (৪-২-৩-১)
আলিসন (গোলরক্ষক), দানিলো, মারকিনিয়োস, গ্যাব্রিয়েল, ডগলাস সান্তোস, কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস, লুকাস পাকেতা, রাফিনিয়া, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ম্যাথেউস কুনিয়া।

নজরে যা থাকবে

মরক্কোর বিপক্ষে ড্রয়ের পর ব্রাজিলের জন্য এটি কার্যত ‘মাস্ট-উইন’ ম্যাচ।

আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস–রাফিনিয়া–কুনিয়ার ত্রয়ীর ওপর বড় দায়িত্ব থাকবে।

কাসেমিরো ও ব্রুনো গিমারায়েসের মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণ ম্যাচের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হারা হাইতি চমক দেখানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামছে।

০৬: ১৬

জয়ে চোখ রেখে মাঠে ব্রাজিল

সুপ্রভাত! স্বাগতম!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘সি’-এর ম্যাচে ব্রাজিল ও হাইতির লড়াইয়ে দৈনিক আমার দেশ-এর লাইভ কভারেজে আপনাকে স্বাগতম। এই ম্যাচের সর্বশেষ স্কোর, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ও লাইভ আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।