
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৪৮৪/৯ (১৫১ ওভার)
প্রথম সেশনে শান্তকে হারায় বাংলাদেশ। পরে দ্বিতীয় সেশনে লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে বেশ নির্বিঘ্নেই কাটিয়ে দেন মুশফিকুর রহিম। পরে বৃষ্টির বাধায় খেলা বন্ধ হলে একেবারে চা বিরতির পর মাঠে নামে দুই দল।
এই দফায় খেই হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এই সেশনে ৬১ রান তুলতে বাংলাদেশ হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনশেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ৪৮৪ রান। অপরাজিত আছেন হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা। দুইজনের কেউই এখনও খুলতে পারেননি রানের খাতা।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৪৮৪/৯ (১৫০.৩ ওভার)
৪৮৪ রানে পতন হয়েছে বাংলাদেশের ৯ম উইকেটের। তৃতীয় সেশনের শুরুতেও মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের রান সহজেই ৫০০ পার হবে। তবে একের পর এক উইকেট হারানোর হিড়িক দেখে মনে হচ্ছে ৫০০ করাই কঠিন হয়ে পড়ছে বাংলাদেশের জন্য। নাঈম হাসান ৩০ বলে ১১ রান করেছেন।

জাকের আলী অনিকের পর প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তাইজুল ইসলাম। বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে ২৫ রান তুলতে শেষ চার উইকেট হারিয়ে বসেছে। তাইজুল প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন ৬ রান।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৪৭৪/৭ (১৪৭ ওভার)
মিলান রত্নানায়েকের করা ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হয়েছেন জাকের আলী অনিক। ফেরার আগে ২০ বলে তার ব্যাটে এসেছে ৮ রান। তার বিদায়ের পর বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে নেই আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার। টেইল এন্ডারদের কাছ থেকে স্কোরবোর্ডে যা যোগ হবে তা এখন বাংলাদেশের জন্য বোনাস রান।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৪৬৪/৬ (১৪৩ ওভার)
ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো নার্ভাস নাইন্টিজের শিকার হয়েছেন লিটন দাস। ১২৩ বলে ৯০ রান করে আউট হন তিনি। সাব্যসাচী স্পিনার থারিন্দু রত্নানায়েকের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন লিটন। মূলত ব্যাট-বলের সঠিক কানেকশন না হওয়ায় আউট হয়েছেন তিনি। ৯০ রানের এই ইনিংসে ১১ চার ও এক ছক্কা হাঁকিয়েছেন। ২০২১ সালে সবশেষ নার্ভাস নাইন্টিজের শিকার হন লিটন। সেবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৫ রানে আউট হন।

এবার আর রিভিউয়ে বাঁচতে পারলেন না মুশফিক। ১৬৩ রান করে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন। তাকে আউট করলেন পেসার আসিথা ফার্নান্দো। তার করা ভেতরে ঢোকা বলটায় টাইমিং মেলাতে পারেননি মুশফিক। তাতে ব্যাটে না লেগে সরাসরি প্যাডে আঘাত হানে। জোরালো আবেদনের পর আউট দেন আম্পায়ার অ্যালেক্স রফ।
সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নেন মুশফিক। তবে আম্পায়ার্স কল হওয়ায় প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়েছে তাকে। একটু হয়তো আক্ষেপে পুড়ছেন মুশফিক।
৩৫০ বলে ১৬৩ রান করেছেন মুশফিক। তার ইনিংসে ছিল ৯ চার। লিটন দাসের সঙ্গে ৫ম উইকেট জুটিতে যোগ করেন ১৪৯ রান।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৪৪০/৪ (১৩৫ ওভার)
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে সিরিজের প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরির পথে আছেন লিটন দাস। গত ১০ ইনিংসে কোনো ফিফটি করতে পারেননি। সবশেষ রাওয়ালপিন্ডিতে তার ব্যাটে এসেছিল সেঞ্চুরি। গলে এসে যেন ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন তিনি। ঠিকই একই অবস্থা মুশফিকেরও। রাওয়ালপিন্ডিতে সবশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন।
বাংলাদেশ ম্যাচের প্রথম ইনিংসে আগে ব্যাট করে ৪৩০ এর বেশি করে কখনও হারেনি। তাহলে কী গল টেস্টের ভাগ্য বাংলাদেশের পক্ষে আসতে যাচ্ছে?
আরও একটি তথ্য জানিয়ে রাখা ভালো- আলোকস্বল্পতা দেখা না দিলে খেলা হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত। পারতপক্ষে তা সম্ভব না হলে সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত খেলা চালানোর চেষ্টা করা হবে।
শান্ত-মুশফিক জুটির পর লঙ্কান বোলারদের উপর ছড়ি ঘোরাচ্ছেন মুশফিক-লিটন জুটি। তারা দুজনে মিলে বাংলাদেশের স্কোর সুবিধাজনক স্থানে নিচ্ছেন।
বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪০০ ওপারে গেছে দ্বিতীয় সেশনেই। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ৪০০ বা তার চেয়ে বেশি রান করে বাংলাদেশের ম্যাচ হারার রেকর্ড আছে তিন বার। এই তিনবারের কোনোবারই অবশ্য ৪৩০ এর বেশি রান করেনি।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে স্কোরবোর্ডে ৪৩০ এর বেশি রান যোগ করে কখনও ম্যাচ হারেনি বাংলাদেশ।

বৃষ্টির পর খেলা মাঠ শুকানোর অপেক্ষায় ছিল। অবশেষে খেলার জন্য মাঠ পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েছে। ৪.৪৫ মিনিটে আবার খেলা শুরু হবে। আজকে দ্বিতীয় দিনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৭২ ওভার। তবে এতো ওভার খেলা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। বাংলাদেশ সময় ৫.৩০ মিনিটের আশেপাশের সময়ে শেষ হবে দ্বিতীয় দিনের খেলা।
আবার একটু মনে করিয়ে দেই- বৃষ্টি বাধার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৪২৩ রান। মুশফিক ব্যাটিং করবেন ১৫৯ রান নিয়ে। এটা ছিল তার ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি। অন্যদিকে লিটন দাস ব্যাটিংয়ে নামবেন ৬১ রান নিয়ে। এটা ছিল তার ক্যারিয়ারের ১৮তম হাফ সেঞ্চুরি। দু'জন মিলে ৫ম উইকেট জুটিতে যোগ করেছেন ১১৪ রান।

বৃষ্টি থেমেছে অনেক আগেই। তবে খেলা হয়নি এখনও। মূলত আউটফিল্ড ভেজায় থাকা খেলা কখন শুরু হবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি আম্পায়াররা।
বৃষ্টি নামার ঠিক আগের বলে মুশফিকুর রহিমের বিপক্ষে লেগ বিফোরের আবেদন করেন লঙ্কান পেসার মিলান রত্নানায়েকে। ওই জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার অ্যালেক্স রফ। আম্পায়ারের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু আম্পায়ার্স কলের সুযোগ পেয়ে বেঁচে যান মুশফিকুর রহিম। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে মুশফিক অপরাজিত আছেন ১৫৯ রানে।
এর আগে দ্বিতীয় দিনে আরও একবার জীবন পেয়েছিলেন মুশফিক। প্রবাথ জয়াসুরিয়ার করা বল ডাউন দ্য উইকেটে এসে উড়িয়ে মারেন। সেই বল প্রবাথ জয়াসুরিয়া তালুবন্দি করলে আউট হতে পারতেন মুশফিক। দুই দুইবার জীবন পাওয়া মুশফিক দ্বিতীয় দিনে কতদূর এগিয়ে যান- সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
বৃষ্টির বাধায় দ্বিতীয় সেশন শেষ হওয়ার আগেই বন্ধ হয়েছে খেলা। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানাচ্ছে, আপাতত বৃষ্টি থামার কোনো সম্ভাবনা নেই। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় সেশনের সময় শেষ। ফলে বৃষ্টি বাধার পর খেলা শুরু হলে সেটা হবে তৃতীয় সেশন।
বৃষ্টির আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪২৩ রান।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৪২৩/৪ (১৩০.২ ওভার)
গলের আবহাওয়া কখন কেমন থাকবে সেটা ধারণা করা বড্ড কঠিন। এরই মধ্যে ফের বৃষ্টি নেমেছে। ফলে খেলা বন্ধ। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪২০ রান। মুশফিকুর রহিম ১৫৯ ও লিটন দাস ৬১ রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস-৪১২/৪ (১২৬ ওভার)
প্রথম সেশনে শান্তর বিদায়ের পর লিটন দাসের সঙ্গে জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম। দুজন মিলে ১৭৩ বলে গড়েছেন ১০০ রানের জুটি। এই জুটিতে বাংলাদেশের রানও পার করেছে ৪০০ রানের কোটা। গলে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। এর আগে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬৩৮। টেস্ট ইতিহাসে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের সংগ্রহ।
২০২২ সালের পর এই নিয়ে ৬ষ্ঠ বার টেস্টে ৪০০ রানের কোটা পার করল বাংলাদেশ। ২০২২ সালে দুইবার, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে একবার করে টেস্টে ৪০০-র বেশি করে রান করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ২০২৫ সালে এসে ফের দুইবার চারশ'র বেশি রান করল শান্ত-মুশফিকরা।
টেস্টে বাংলাদেশ ৩০তম বারের মতো দলীয় সংগ্রহ ৪০০ বা এর বেশি করল বাংলাদেশ আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি ৭ম বার।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস-৪০৪/৪ (১২৩ ওভার)
ক্যারিয়ারের ১৮তম ফিফটি করেছেন লিটন দাস। ১০ ইনিংস পর কোনো ফিফটির দেখা পেয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিটন দাসের এটি ৫ম ফিফটি। এক রকম ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করছেন লিটন। ৬৪ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন। মুশফিকের সঙ্গে ৫ম উইকেট জুটিতে যোগ করেছেন ৯৫ রান।

চার হাঁকিয়ে দেড়শ রান করলেন মুশফিক। ২৮৪ বলে ১৫০ রান পূর্ণ করেন মুশফিক। এই ইনিংস খেলার পথে মাত্র ৯ চার হাঁকান তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি মুশফিকের তৃতীয় ১৫০ বা তার চেয়ে বেশি রানের ইনিংস। গলে তৃতীয় ম্যাচে মুশফিকের এটি দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। মিস্টার ডিপেন্ডঅ্যাবল ক্যারিয়ারের প্রথম দ্বিশতকের দেখা পেয়েছিলেন এই গলেই, ২০১৩ সালে।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৩৮৩/৪ (১১৭ ওভার)
নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ের পর লিটন দাসকে নিয়ে দলকে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে নিচ্ছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। ৫ম উইকেট জুটিতে তারা দুজনে যোগ করেন ৭৪ রান। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান।
মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়া বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩৮৩ রান। লিটন অপরাজিত আছেন ৪৩ রানে আর মুশফিক অপরাজিত ১৪১ রানে। অথচ, তাদের এই ইনিংস এতো বড় হওয়ার সুযোগই ছিল না। লঙ্কান ফিল্ডাররা দুইবার সুযোগ পেয়েছিলেন লিটন-মুশফিককে ফেরানোর জন্য। তবে কোনো সুযোগই কাজে লাগাতে পারেননি।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস-৩৪৩/৪ (১০৮ ওভার)
নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংস বড় করার দায়িত্ব উঠেছে লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমের কাঁধে। দুজন ইতোমধ্যে ৩৪ রান যোগ করেছেন ৫ম উইকেট জুটিতে। তাদের কাঁধে ভর করে এবার বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার পালা।
তবে এই জুটি ইতোমধ্যে একবার ভাঙার সুযোগ পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। মুশফিকের করা কাট শটে ভুল বোঝাবুঝি হলে একদম রান নেওয়ার জন্য একদম স্ট্রাইক প্রান্তেই চলে যান লিটন। একই সময়ে স্ট্রাইক প্রান্তেই ছিলেন মুশফিক। ফলে রানআউট করার সুযোগ হাতছাড়া করে শ্রীলঙ্কা।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৩১০/৪ (৯৮ ওভার)
আগের ওভারেই আসিথা ফার্নান্দোর বিপক্ষে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু পরের ওভারেই ফিরতে হয়েছে তাকে। সেই আসিথা ফার্নান্দোর বলে মিডঅফে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ফেরার আগে তার ব্যাটে এসেছে ১৪৮ রান। শান্তর বিদায়ে ভেঙেছে ২৬৪ রানের জুটি।
২৭৯ বলের এই ইনিংসে শান্ত হাঁকান ১৫ চার ও এক ছক্কা। দায়িত্ব নিয়ে ইনিংস বড় করা শান্তর সামনে ছিল আরও বড় ইনিংস খেলার সুযোগ। শেষ পর্যন্ত সেই সুযোগ হাতছাড়া করেছেন তিনি।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস- ৩০৪/৩ (৯৫ ওভার)
১০ ওভার পুরোনো বল দিয়ে বোলিং করছে শ্রীলঙ্কা। এক প্রান্ত থেকে পেসার আসিথা ফার্নান্দো ও অন্য প্রান্ত থেকে স্পিনার প্রবাথ জয়াসুরিয়াকে বোলিং করাচ্ছেন লঙ্কান অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। গতিতে বাংলাদেশি বোলারদের খুব একটা পরাস্ত করতে পারছেন না আসিথা। তবে উইকেটের সুবিধা নিয়ে সুইং ঠিকই আদায় করে নিচ্ছেন। তবে তাতে খুব একটা অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে না বাংলাদেশি ব্যাটারদের।

দারুণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত চতুর্থ উইকেটে যোগ করেছেন ২৫০ রান। আগের দিনের ২৪৭ এর সঙ্গে আরও তিন রান যোগ করে জুটিতে আড়াইশ পূর্ণ করেন তারা দুজন। বিদেশের মাটিতে যে কোনো উইকেটে এটা তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি। দুই নম্বরে থাকা মোহাম্মদ আশরাফুল ও মুশফিকের জুটির রেকর্ড ভাঙতে দরকার আর মাত্র ১৮ রান।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ৪৫ রানে তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ পথ খুঁজে পায় নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের জোড়া শতকে। দারুণ ব্যাটিং করা মুশফিক ১০৫ ও শান্ত ১৩৬ রানে অপরাজিত আছেন। চতুর্থ উইকেটে তারা যোগ করেছেন ২৪৭ রান। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে শান্ত-মুশফিকের সামনে ইনিংস আরও বড় করার চ্যালেঞ্জ।
গতকাল প্রথম দিন শেষে শান্তর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। তার আশা, শান্ত ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পাবে এই গলেই। অন্যদিকে নিজের সেঞ্চুরি নিয়ে মুশফিক জানান, ক্যারিয়ারের শেষদিকে আছেন, তাই উপভোগ করতে চান।