তারা বাদ পড়েছেন ট্যাকটিক্যাল কারণে

স্পোর্টস রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে

তারা বাদ পড়েছেন ট্যাকটিক্যাল কারণে

চট্টগ্রামে তখন চলছিল প্রথম ইনিংসের বিরতি, সে সময় আসন্ন টেস্ট সিরিজ নিয়ে কথা বলেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। সেখানে ঘুরে ফিরে এসেছে চার ক্রিকেটারÑজাকের আলী অনিক, হাসান মুরাদ, হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের বাদ পড়ার প্রসঙ্গ। অফফর্মের কারণে জাকেরের বাদ পড়াটা ছিল সময়ের ব্যাপারমাত্র। আর ইনজুরি কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় ডাক পাননি হাসান মাহমুদ। সবশেষ সিরিজে দারুণ খেলা হাসান মুরাদ ও নিয়মিত মুখ খালেদ আহমেদ তাহলে কেন বাদ পড়লেন? সেই প্রশ্নের জবাবে, হাবিবুল বাশার সুমনের স্পষ্ট জবাব, ট্যাকটিক্যাল কারণ।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট সিরিজে হাসান মুরাদের শিকার ছিল ১২ উইকেট। তাতে মনে হয়েছিল হয়তো পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে তিনি হতে পারেন অটো চয়েস। তবে সেই পথে হাঁটেনি নতুন নির্বাচক প্যানেল। পাকিস্তান স্কোয়াডে বাঁহাতি ব্যাটারের আধিক্যের কথা বিবেচনায় রেখে নাঈম হাসানকে সুযোগ দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি খালেদ আহমেদকে রাখা হয়েছে দলের বাইরে। তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলামকে সুযোগ দেওয়া নির্বাচক প্যানেলের চাওয়া উইকেট শিকারে দক্ষ এমন বোলার। সে বিবেচনায় ইবাদত হোসেন স্কোয়াডে টিকে গেলে বাদ পড়েছেন খালেদ আহমেদ।

বিজ্ঞাপন

পারফর্ম করেও এভাবে বাদ পড়াকে ক্রিকেটাররা যেন নেতিবাচকভাবে না নেন সেদিকে এখন লক্ষ্য রাখছে নির্বাচক প্যানেল। এ নিয়ে গতকাল হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘আমি ফিরে যাওয়ার পর আবার সামনাসামনি বসব। এমনি জানানো হয়েছে কেন সে বাদ পড়েছে।’

এই দিকে স্কোয়াডে নতুন করে ডাক পেয়েছেন অমিত হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। অমিতকে দলে ডাকা হয়েছে বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে। এমনটাই জানান হাবিবুল বাশার সুমন। তার কথায়, ‘দেখুন অমিত দলে এসেছে বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে। কারণ আরেকটা বিকল্প উইকেটরক্ষক টেস্টে এখন দরকার হয়। দ্বিতীয় ব্যাপার হচ্ছে সে নিয়মিত পারফরমার। আমরা একটা জিনিস শেয়ার করেছি যখন কাউকে এনেছি, তাকে কিন্তু লম্বা সময় দেওয়ার চিন্তা করেই আনব আরকি। কাউকে শুধু এক সিরিজ দেখার জন্য আনব না। আমার মনে হয় তার ভালো ভবিষ্যৎ আছে। তো দেখা যাক কতদূর হয়।’

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে তানজিদ তামিমের পরিচিতি মারমুখী ব্যাটার হিসেবে। এমনকি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও একই ধরনের ক্রিকেটের জন্য পরিচিতি আছে তার। এ নিয়ে হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘আমরা যখন কোনো ক্রিকেটারকে নির্বাচন করছি তার খেলার ধরনটা দেখেই করেছি। যাকে নির্বাচন করেছি চাচ্ছি সে ওই ধরনের ক্রিকেটই খেলুক।’

সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টির পর টেস্ট দলে এমন পরিবর্তন আভাস দিচ্ছে, নতুন কিছু করতে চান বর্তমান নির্বাচকরা। তাদের নতুন পরিকল্পনা এখন কতটা সফলতার মুখ দেখে, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন