সিলেটে জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

১১: ৫৯, মে ২০

দারুণ এক ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ৯৮তম ওভারে খুররম শাহজাদ ছক্কা মারতে গিয়ে ওয়াইড লং অনে তানজিদ হাসানের হাতে ক্যাচ দেন। এরপরই ৩৫৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।

এই সিরিজ জয়ে কয়েকটি বড় রেকর্ডও গড়েছে বাংলাদেশঃ

- পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা ৪ টেস্ট জয়
- প্রথমবার পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে ২–০ ব্যবধান হোয়াইটওয়াশ
- নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে কোনো দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ টানা জয়

স্পিনার তাইজুল ইসলাম শেষ উইকেটটি নিয়ে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে এটি নিঃসন্দেহে অন্যতম স্মরণীয় সিরিজ জয়।

১১: ২০, মে ২০

জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

দারুণ টানটান অবস্থা!

মোহাম্মদ রিজওয়ান ৯৪ রানে আউট হওয়ায় ম্যাচটা এখন পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
এখন ক্রিজে শেষ জুটি—মোহাম্মদ আব্বাস এবং অপর প্রান্তের ব্যাটার। পাকিস্তানের জয়ের জন্য এখনও ৭৯ রান দরকার, আর বাংলাদেশের চাই মাত্র ১ উইকেট।

শরীফুল ইসলামের সেই গালিতে ক্যাচটা ম্যাচের বড় মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশ দ্রুত শেষ উইকেট নিতে পারে কি না, নাকি পাকিস্তানের শেষ জুটি অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

১১: ১৩, মে ২০

অবশেষে ভাঙল রিজওয়ান–সাজিদের জুটি, স্বস্তি ফিরালেন তাইজুল

পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে দীর্ঘ সময় ধরে ভোগাচ্ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য স্বস্তি এনে দিলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।


ইনিংসের ৯৬তম ওভারে আক্রমণে এসে দ্বিতীয় বলেই গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন বাঁহাতি এই স্পিনার। তাইজুলের বলে স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ২৮ রান করে ফেরেন সাজিদ খান।


এর মধ্য দিয়ে অষ্টম উইকেটে রিজওয়ান–সাজিদের ৫৪ রানের জুটিরও সমাপ্তি ঘটে। বেশ কিছুক্ষণ ধরেই এই জুটি বাংলাদেশের জয়ের আশা কঠিন করে তুলছিল।


সাজিদের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন নতুন ব্যাটসম্যান খুররম শাহজাদ। অন্যপ্রান্তে তখনও অবিচল ছিলেন রিজওয়ান। তিনি ৯৪ রানে অপরাজিত আছেন।


এই উইকেটের মাধ্যমে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন তাইজুল ইসলাম। ৯৪ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩৫৮ রান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৭৯ রান, আর বাংলাদেশের দরকার মাত্র ২টি উইকেট।

১১: ০১, মে ২০

নিশ্চিত ক্যাচ মিস, জীবন পেলেন সাজিদ খান

পাকিস্তানের ইনিংসে তখন ৩৫৩ রান। ঠিক সেই মুহূর্তে ম্যাচে বড় সুযোগ তৈরি করেছিলেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। তার গতি আর বাউন্সে বিভ্রান্ত হয়ে হুক শট খেলতে যান পাকিস্তানের ব্যাটার সাজিদ খান। তবে শটটি ঠিকভাবে টাইম করতে না পারায় বল উঠে যায় আকাশে।


সহজ ক্যাচ মনে হলেও শেষ পর্যন্ত সেটিই পরিণত হয় বাংলাদেশের জন্য হতাশার ঘটনায়। ক্যাচটি ধরতে একসঙ্গে তিন দিক থেকে ছুটে আসেন তিন ফিল্ডার। ফলোথ্রু থেকে দৌড়ান নাহিদ রানা, শর্ট ফাইন লেগ থেকে ছুটে আসেন তাইজুল ইসলাম এবং উইকেটকিপিং পজিশন থেকে এগিয়ে আসেন লিটন দাস।


তবে শেষ মুহূর্তে বিভ্রান্তি তৈরি হয় তিনজনের মাঝেই। কে ক্যাচটি নেবেন, সেই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট না হওয়ায় কেউই বলের নিচে ঠিকভাবে পৌঁছাতে পারেননি। ফলে নিশ্চিত আউট থেকে বেঁচে যান সাজিদ খান।


ম্যাচ পরিস্থিতি ও ফিল্ডিং অবস্থান বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, ক্যাচটি মূলত তাইজুল ইসলামের নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সমন্বয়ের অভাবে বড় একটি সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ।

১০: ৪৭, মে ২০

পাকিস্তানের দাপট, উইকেটের খোঁজে বাংলাদেশ

সকালের প্রথম আধঘণ্টায় পুরোপুরি দাপট দেখিয়েছে পাকিস্তান। এ সময়ে চারটি বাউন্ডারিতে ২৯ রান যোগ করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান। ব্যক্তিগত ৯০ রানে পৌঁছে যান রিজওয়ান। এদিকে নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদকে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে সামলাতে দেখা গেছে পাকিস্তানের এই

১০: ০৯, মে ২০

১০টা ১৫ মিনিটে মাঠ গড়াবে পঞ্চম দিনের খেলা

১০টা ১৫ মিনিটে মাঠ গড়াবে পঞ্চম দিনের খেলা

বৃষ্টির কারণে সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের খেলা ১৫ মিনিট দেরিতে শুরু হবে। ১০টায় শুরু হবার কথা থাকলেও ১০টা ১৫-তে মাঠ গড়াবে বল। দুদলের ক্রিকেটাররা মাঠে ওয়ার্মআপ করছেন।

০৯: ৩৭, মে ২০

রোমাঞ্চের পঞ্চম দিনে মেঘের লুকোচুরি

সিলেটে রাতে বৃষ্টি হয়েছিল। সকালে ঝিরিঝিরি কিছুটা বৃষ্টি হয়েছে। এই মুহূর্তে সিলেট ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেটে কাভার রয়েছে। আকাশ কিছুটা মেঘলা। তবে আশা করা যাচ্ছে সকাল ১০টায় পঞ্চম ও শেষ দিনের খেলা শুরু হবে।

এই টেস্ট জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট। পাকিস্তান বাকি ১২১ রান করলে সিলেট টেস্ট জিতবে।