যুক্তরাষ্ট্রর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা করবে কি-না সেই সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে তিনি জানিয়েছিলেন, পারমাণবিক আলোচনায় ইরানের অবস্থানের বিষয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।
তিনি বলেন ‘আমাদের যা প্রয়োজন ইরান তা দিতে রাজি নয়’। তিনি তখন জোর দিয়ে বলেন যে “ইরান পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারে না”।
সপ্তাহের শুরুতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষই জানিয়েছে যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে।
ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছিল যেন তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন একটি চুক্তিতে রাজি হয়। ট্রাম্প বারবার বলেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র “দ্রুত এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে” পদক্ষেপ নিতে “প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম”।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে রূপ নিতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “যুদ্ধ হলে সবকিছুরই ঝুঁকি থাকে”।
তিনি আরও বলেন, “যখন যুদ্ধ হয়, তখন যেকোনো কিছুরই ঝুঁকি থাকে—ভালোও, খারাপও”।
উল্লেখ্য, আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানে আকস্মিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

