গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন হুমকির পর ডেনমার্কের প্রতি “সংহতি” প্রকাশ করেছে ফ্রান্স। সোমবার ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অবস্থান জানায়।
ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পাসকাল কঁফাভ্রু টেলিভিশন চ্যানেল টিএফ১-কে বলেন, “বল প্রয়োগ করে কোনো দেশের সীমানা পরিবর্তন করা যায় না।” তিনি আরও বলেন, “গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডবাসী ও ডেনমার্কের অন্তর্গত। এর ভবিষ্যৎ কী হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদেরই।”
রোববার ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ডকে “হুমকি দেওয়া” বন্ধ করার আহ্বান জানানো হলেও ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়া উচিত।
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে মার্কিন হামলা ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনায় ইউরোপীয় নেতারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হন। আর্কটিক অঞ্চলে কৌশলগত অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা ট্রাম্প আগেই প্রকাশ করেছিলেন। ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপ সেই আশঙ্কাকে আরও জোরালো করেছে।
ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের সময় “আন্তর্জাতিক আইন মানা হয়নি”। তিনি বলেন, মাদুরো “তার বৈধতা হারিয়েছেন”—এ নিয়ে ফ্রান্স শোক প্রকাশ করবে না। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে ফ্রান্সের দায়িত্ব হলো জাতিসংঘ সনদের যেকোনো লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া।
কঁফাভ্রু আরও বলেন, “শক্তিশালীর আইনের এই উত্থানকে আমরা নিন্দা জানাই। আমরা এর জন্য প্রস্তুত থাকলেও এতে আত্মসমর্পণ করছি না।”
এসআর/এসআই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

