আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

যুদ্ধবিরতির পর ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত ব্রিটেন-ফ্রান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির পর ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে প্রস্তুত ব্রিটেন-ফ্রান্স
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় চার বছর ধরে ইউক্রেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। রাশিয়ার এই হামলা বন্ধে ২০২৪ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেশ কয়েক দফা বৈঠকের পর ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে মস্কো ও কিয়েভ। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির পর দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান করতে সেখানে নিজ নিজ দেশের সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স। অবশ্য মস্কো এতে সম্মত না-ও হতে পারে। মঙ্গলবার প্যারিসে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আয়োজিত ‘কোলিশন অব দ্য উইলিং’ শীর্ষ সম্মেলনের পর এ ঘোষণা আসে।

সেই ঘোষণাপত্রে ম্যাঁক্রো, কিয়ার স্টারমার এবং জেলেনস্কি স্বাক্ষর করেছেন বলে জানিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ২৭ জন রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানসহ দেশগুলোর প্রতিনিধিরা কিয়েভের জন্য যুদ্ধ-উত্তর গ্যারান্টি দৃঢ় করার জন্য এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

বিজ্ঞাপন

স্টারমার বলেছেন, যুদ্ধবিরতির পর ব্রিটেন ও ফ্রান্স ইউক্রেনজুড়ে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে। তবে মস্কো যদি ইউক্রেনে পুনরায় আক্রমণ শুরু করে, তাহলে পরিকল্পিত স্থলবাহিনী সরাসরি রাশিয়ান বাহিনীর সঙ্গে জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘শক্তিশালী’ গ্যারান্টির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক ইউরোপীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি ইউরোপীয়দের অংশগ্রহণের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণব্যবস্থার নেতৃত্ব দেবে।

ইতালির জর্জিয়া মেলোনি এবং পোল্যান্ডের ডোনাল্ড টাস্ক আলোচনার পর বলেছেন, তাদের দেশগুলো ইউক্রেনে কোনো মিশনে সেনা পাঠাবে না। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মের্জ বলেছেন, জার্মান সেনা একটি বাহিনীতে অবদান রাখতে পারে।

এসআই/এসআই

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন