স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একদিন হয়েতো একজন ফিলিস্তিনিও আর অবশিষ্ট থাকবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি অং। মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে তিনি এ আশঙ্কার কথা বলেন। খবর আল জাজিরার।
গাজায় ইসরাইলের ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন মন্তব্য করলেন।
মঙ্গলবার সকালে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিডনিতে আয়োজিত ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ নিয়েও কথা বলেন।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, সিডনির ঐতিহাসিক হারবার ব্রিজজুড়ে দুই থেকে তিন লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন।
অং বলেন, অস্ট্রেলিয়া সরকার বিক্ষোভকারীদের শান্তি ও যুদ্ধবিরতির আকাঙ্ক্ষার সাথে একমত। তিনি বলেন, এই বিশাল জনসমাগম গাজায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি, নারী ও শিশুদের মৃত্যু, সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ার বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার মানুষের মনোভাবকে প্রতিফলিত করে।
অস্ট্রেলিয়া ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এক বছর আগে থেকেই আমি বলে আসছি, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কিনা এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কখন স্বীকৃতি দেওয়া হবে।’
রোববারের বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে গাজা যুদ্ধের বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে কথা বলতে চাইছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, গাজা উপত্যকা সম্পূর্ণরূপে দখলের নির্দেশ দিতে প্রস্তুত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যদিও ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে এ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরাইলি সেনাবাহিনী উপত্যকাজুড়ে তাদের অভিযান আরো সম্প্রসারণ করবে। মঙ্গলবার টাইমস অব ইসরাইলসহ ইসরাইলের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


পুরো গাজা দখলের সিদ্ধান্ত নেতানিয়াহুর
গাজা যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ চান ইসরাইলের ৬ শতাধিক কর্মকর্তা