গাজায় বাড়ছে ইসরাইলের নৃশংসতার মাত্রা। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় নতুন করে ৮৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণ আনতে গিয়ে হামলার শিকার হন। খবর আল জাজিরার।
রোববার এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজাজুড়ে বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলায় ভোর থেকে কমপক্ষে ৮৬ জন নিহত হয়েছে। যার মধ্যে গাজা শহর এবং ভূখণ্ডের উত্তরে নিহত হয় কমপক্ষে ৪৭ জন।
আল জাজিরার মোয়াথ আল-কাহলুত আল-আহলি হাসপাতালের ‘বিপর্যয়কর’ দৃশ্য বর্ণনা করেছেন। যেখানে জয়তুন এবং সাবরা এলাকার পাশাপাশি আল-জাবিয়া বাজারে ইসরাইলি হামলার পর অনেক মানুষ আহত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে। অনেকেই হাসপাতালে ফ্লোরে পড়ে আছেন, কারণ তাদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত বিছানা বা চিকিৎসা সরঞ্জাম নেই। তীব্র ঘাটতির কারণে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।’
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে আল জাজিরা আরো জানায়, রাফাহ’র উত্তরে বিতর্কিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) পরিচালিত খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে পাঁচজন ফিলিস্তিনি ত্রাণপ্রার্থী নিহত হয়েছে।
এরআগে, হারেৎজ এক প্রতিবেদনে ইসরাইলি সেনার বরাত দিয়ে জানায়, ত্রাণপ্রার্থীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের।
এরইমধ্যে গাজা উপত্যকায় মানবিক সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। পুষ্টির অভাবে শিশু এবং ছোট বাচ্চারা মারা যাচ্ছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, অপুষ্টির কারণে আহতদের ক্ষত নিরাময়ও কঠিন হয়ে পড়েছে। গাজায় বোমা ফেলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


‘মৃত্যু’র গুঞ্জন উড়িয়ে প্রকাশ্যে এসে যা বললেন খামেনির উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই ফায়ারফাইটার নিহত