দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে বিশ্বনেতারা

একঘরে ইসরাইল আমেরিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

একঘরে ইসরাইল আমেরিকা

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সমর্থন জানাতে সোমবার জাতিসংঘে একত্রিত হয়েছেন কয়েক ডজন বিশ্বনেতা। সেখানে আমেরিকা ও তার মিত্র ইসরাইলকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে সমাবেশ করেছেন তারা। এই সমাবেশকে দেখা হচ্ছে গাজাযুদ্ধের প্রায় দুই বছর পর একটি যুগান্তকারী কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে। আর এই পদক্ষেপ ইসরাইল ও আমেরিকার তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে।

এদিকে, এই সমাবেশে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে ফ্রান্স। সৌদি আরবের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ ঘোষণার কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এটি ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি মাইলফলক। যদিও বাস্তবে গাজা পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম বলে মনে করা হচ্ছে। তারপরও এটি ফিলিস্তিনিদের মনোবল বাড়িয়ে তুলতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞাপন

অধিবেশনের শুরুতে ম্যাক্রোঁ বলেন, বিশ্বকে অবশ্যই শান্তির পথ প্রশস্ত করতে হবে, ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করতে হবে, যাতে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন শান্তি এবং নিরাপত্তার সঙ্গে পাশাপাশি সহঅবস্থান করতে পারে।

তবে ফিলিস্তিন নামে কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে উগ্র ডানপন্থি সরকার। এ ধরনের পদক্ষেপ সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাপ্তির সম্ভাবনাকে দুর্বল করে দেবে বলে মন্তব্য করেছে ইসরাইল।

সমাবেশে ম্যাক্রোঁ নতুন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জন্য একটি কাঠামোর রূপরেখা তুলে ধরেন। এর অধীনে ফ্রান্স সংস্কার, যুদ্ধবিরতি এবং হামাসের হাতে থাকা বন্দিদের মুক্তির মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার জন্য একটি দূতাবাস খুলবে।

এদিকে সোমবারের বৈঠক বয়কট করেছে আমেরিকা ও তার মিত্র ইসরাইল। জাতিসংঘে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশে ফেরার পর ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। আর আমেরিকা বলেছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার এই পদক্ষেপ আরো জটিলতা সৃষ্টি করবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন