পাকিস্তানজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’। পাকিস্তানে প্রতি বছর ৫ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীর সংহতি দিবস পালিত হয়। ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন ও ঐক্য প্রদর্শন এবং ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হতে কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রচেষ্টা ও সংঘাতে নিহত কাশ্মীরিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দিনটি পালন করে দেশটি। দিনটিতে পাকিস্তানে সরকারি ছুটি থাকে।
প্রতি বছরের মতোই দিনটিতে পাকিস্তানজুড়ে ও আজাদ জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন স্থানে সংহতি পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি তার বার্তায় বলেন, পাকিস্তানের জনগণ কাশ্মীরি ভাইবোনদের সঙ্গে তাদের চলমান সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ।
তিনি কাশ্মীরি জনগণের অদম্য মনোবলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘প্রায় আট দশক ধরে তারা ভারতীয় দখলদারিত্বের মুখে অবিচল থেকেছে এবং তাদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার করেছে।’
প্রেসিডেন্ট বলেন, ভারত প্রশাসনিক ও আইনসভার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করার প্রচেষ্টা জোরদার করেছে, যার মধ্যে রয়েছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রোধ করা, কাশ্মীরি নেতৃত্বকে কারারুদ্ধ করা এবং ভূখণ্ডের জনসংখ্যার গঠন পরিবর্তন করার চেষ্টা করা।
তিনি পুনরায় নিশ্চিত করে বলেন, ‘পাকিস্তান কাশ্মীরি জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে, যতক্ষণ না তারা একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোটের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।’
জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোটের মাধ্যমে কাশ্মীরি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


সন্ত্রাসীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের
ভূগর্ভস্থ নতুন মিসাইল ঘাঁটি উন্মোচন করল ইরান