দেশে নারী-শিশু ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) এ সংক্রান্ত রোগীও বেড়েছে। সারা দেশ থেকে প্রতিদিন গড়ে চার-পাঁচজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়ে চিকিৎসা নিতে আসছেন ওসিসিতে। এরপরই রয়েছে শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা। আর প্রতি মাসে দেড় থেকে দুই শতাধিক ধর্ষণের শিকার নারীকে চিকিৎসা দিচ্ছে ওসিসি। এই হিসাব হচ্ছে যারা ওসিসিতে চিকিৎসা নিতে আসেন তাদের। তবে দেশের বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে অন্যান্য হাসপাতাল এবং চিকিৎসাকেন্দ্রে যারা চিকিৎসা নেন তাদের হিসাব নেই ওসিসির কাছে।
ওসিসির দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানান, সাধারণত এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে ১১-১৮ বছর বয়সি মেয়েরা। বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ না হওয়া এবং সামাজিক অবক্ষয় এর জন্য দায়ী। অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের ঘটনা প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অপরাধী ছাড় পেয়ে যায়।
চিকিৎসকরা বলছেন, ধর্ষণের শিকার হয়ে হাসপাতালে আসা একটি মেয়ে নিঃসন্দেহে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকেন। সে অবস্থায় দফায় দফায় যখন ঘটনার বর্ণনা দিতে হয়, তখন মানসিক শক্তি এমনিতেও শেষ হয়ে যায়। এটি অসহনীয় বিড়ম্বনা ভুক্তভোগীর জন্য।
ভিকটিমদের নিয়ে কাজ করা মহিলা আইনজীবী সমিতির এক নারী সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ধর্ষণের শিকার হয়ে হাসপাতালে আসা একটি মেয়ে নিঃসন্দেহে ট্রমাটাইজড থাকেন। সে অবস্থায় দফায় দফায় যখন ঘটনার বর্ণনা দিতে হয়, তখন মানসিক শক্তি এমনিতেও শেষ হয়ে যায়। এ নিয়ম পাল্টানো উচিত।
ওসিসিতে কর্তব্যরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাসরিন সুলতানার মতে, দিন দিন ভিকটিমের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। পাশাপাশি ওসিসিতে ভিজিটর সম্পূর্ণভাবে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও কেউ মানছেন না। রাজনৈতিক প্রভাব, কর্মকর্তার প্রভাবসহ বিভিন্ন কৌশলে ধমক দিয়ে ওসিসিতে ঢুকে পড়ে ভিজিটর। এতে করে চিকিৎসার ক্ষেত্রে যেমন সমস্যা হয় তেমনি চিকিৎসাধীন নারী-শিশুদের প্রাইভেসি বা আত্মসম্মানবোধ বলতে কিছু থাকে না। চিকিৎসকরা বারবার নিষেধ করছেন, ভিকটিমকে বেশি প্রশ্ন যেন না করা হয়। ভিকটিমকে বিশ্রামে রাখতে পরামর্শও দিচ্ছেন। কিন্তু এর কোনোটাই মানে না ভিজিটররা।
দেশজুড়ে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে চালু থাকা ১৫টি ওসিসি কেন্দ্র থেকে ভুক্তভোগী নির্যাতিত নারী ও শিশুরা যে সেবাগুলো পেয়ে থাকেন সেগুলো হচ্ছে—চিকিৎসা ও ফরেনসিক সহায়তা, শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া, আইনি সহায়তা, বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ ও মামলা পরিচালনার সহায়তা, মানসিক ট্রমা কাটিয়ে উঠতে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা কাউন্সেলিং সুবিধা, আশ্রয় ও পুনর্বাসন, স্বল্পমেয়াদি নিরাপদ আশ্রয় এবং স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য নানা ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশে এক হাজার ৩৫ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। এর মধ্যে ২৫০টি ধর্ষণ, ৬৫টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ১৮টি ধর্ষণের পর হত্যা এবং ৫৩টি ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা রয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে, এসব ঘটনায় চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ১৫২টি ঘটনায় ৪৭টির মামলা হয়েছে।
গত ১৩ জুন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মহিলা পরিষদের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, দেশে আইন কাঠামোর কোনো ঘাটতি নেই; মূল সমস্যা আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং সামাজিক মানসিকতায়। নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষায় সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ জনগণকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের ১৪টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার-ওসিসি রয়েছে। এসব সেন্টারে শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন ও দগ্ধ (আগুন, অ্যাসিডসহ দাহ্য পদার্থ)— এই তিন ধরনের সহিংসতার শিকার নারী ও শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া দেওয়া হয় ডিএনএ পরীক্ষা, পুলিশ ও আইনি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং পুনর্বাসন সেবা। এর বাইরে জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬৭টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেলে সেবা দেওয়া হয়। তবে সেলে চিকিৎসা, ডিএনএ ও আইনি সহায়তা প্রত্যক্ষভাবে নয়, সমন্বয় করে দেওয়া হয়।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’-এর আওতায় ওসিসির (সেন্টার ও সেল) কার্যক্রম চলে। ২০০০ সাল থেকে প্রকল্পটি চলছে।
ঢামেক হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওসিসিতে ভর্তি সহিংসতার শিকার নারী ও শিশুদের মামলার জট দেখা দিয়েছে। ওসিসিতে ভর্তি ভুক্তভোগীর সংখ্যার তুলনায় মামলা হচ্ছে এক-তৃতীয়াংশ কম। আবার মামলা যা হচ্ছে, সেগুলোর রায় ও রায় কার্যকরের হারও অনেক কম।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার মামলার জট ও দীর্ঘসূত্রতার পেছনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে বলেন, ‘আইনে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ না হওয়া অন্যতম প্রধান কারণ। তদন্ত কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে মেডিকেল রিপোর্ট পান না, তার ওপর তারা ধর্ষণের মতো স্পর্শকাতর মামলার পাশাপাশি অন্যান্য সাধারণ ডিউটিও পালন করেন। এছাড়া অনেক ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশুর পাশাপাশি মানবপাচার বা শিশু আইনের অন্যান্য মামলারও বিচার করতে হয়। সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয় সঠিক সময়ে সাক্ষীদের আদালতে হাজির করতে না পারার কারণে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ১১ হাজারের বেশি মামলা তদন্ত করে ধর্ষণের ৪৪ শতাংশ অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানায়। ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আট বছরে ধর্ষণের অভিযোগে থানা ও আদালতে এসব মামলা করা হয়েছিল।
উচ্চ আদালতের তথ্য অনুসারে, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশের ৯৯টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এক লাখ ৩২ হাজার ১০৭টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এর মধ্যে পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩০ হাজার ৩৬৫টি। ঢাকার ৯টি ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ১১ হাজার ৫৬৭টি। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচারাধীন তিন হাজার ৯১টি মামলা।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ২০০০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৪টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে সহিংসতার শিকার মোট ৫৬ হাজার নারী ও শিশু ভর্তি হন। এসব ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং অ্যাসিড অপরাধ দমন আইনে ১৭ হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দুই হাজার মামলার রায় হয়েছে এবং সাজা কার্যকর হয়েছে মাত্র ২২০টির। মোট মামলায় সাজা কার্যকরের এই হার মাত্র ১ শতাংশ। এছাড়া ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৬৭টি সেলে এক লাখ ১৪ হাজার ৭৯৩ ভুক্তভোগী সেবা নেন।
এসব ঘটনায় দায়ের মামলার সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে অন্যান্য মামলার মতো ওসিসির মামলার বিচার কাজও দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকে। কিছু মামলা আপসও হয়ে যায়। আর ওসিসিতে সেবা নেওয়া সব ভুক্তভোগী মামলা করেন না। পারিবারিক, সামাজিক নানা কারণে অনেক নারী মামলা করতে আগ্রহী হন না। এছাড়া বিচারপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা ও প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে অনেক ভুক্তভোগী মামলা করতে চান না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনা যেভাবে বাড়ছে, তা উদ্বেগজনক বললেও কম বলা হয়। কোনো শিশু যদি ছোটবেলা থেকেই অন্যের দ্বারা উত্ত্যক্ত হওয়ার মতো আচরণে অভ্যস্ত হয়ে বড় হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তার মধ্যে অপরাধপ্রবণতা তৈরি হতে পারে। তাই শৈশব থেকেই সঠিক দিকনির্দেশনা ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে তাকে গড়ে তোলা প্রয়োজন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধী পরিচিত মানুষ, আত্মীয়, প্রতিবেশী কিংবা বিশ্বস্ত কোনো ব্যক্তি। তাই শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি নয়, প্রয়োজন পরিবার ও সমাজের সচেতনতা। পরিবার থেকেই ছেলে শিশুকে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার পরিবর্তনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ, সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ, সেমিনার এবং শিক্ষাক্রমে বিষয়ভিত্তিক অন্তর্ভুক্তি জরুরি।
তেজগাঁও থানার উইম্যান সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিউটি অফিসার মুস্তারী বলেন, সাইবার সহিংসতায় নারী ও শিশু নির্যাতন দিন দিন বাড়ছে। এমন সব ঘটনায় যে কত প্রতিভাবান মেয়ের জীবন ঝরে যায়, তার কোনো হিসাব নেই। নারী ও শিশুরা বর্তমানে তাদের নিজ ঘরেই সুরক্ষিত নয়। পরিবার এবং শিশুদের অনলাইনে হয়রানি প্রতিরোধের কৌশল শেখাতে হবে। কখনো কোনো অনিরাপদ পরিস্থিতি অনুভূত হলে প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিতে হবে। তিনি অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরিবারে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণার কথাও বলেন।
তিনি জানান, অনেক ক্ষেত্রে মামলা করার পর ওসিসিতে ভর্তি হন ভুক্তভোগীরা। আবার ওসিসি থেকেও অনেকে আইনি সহায়তা নেন। শারীরিক নির্যাতনের মধ্যে স্বামীর হাতে নির্যাতন, পারিবারিক নির্যাতন ও গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনাও থাকে।
সব সরকারি হাসপাতালে চালু হবে ওসিসি
নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু ভুক্তভোগীদের দ্রুত ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতে দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার’ (ওসিসি) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১০ জুন ২০২৬ সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী জাহিদ হোসেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এসব মেডিকেল কলেজে ওসিসি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে চাহিদা মেটানো ও সেবার পরিধি আরো বাড়ানো হবে।
বর্তমানে ৯৫টি ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল’ থাকার তথ্য দিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, এর মধ্যে ৩০টি জেলা সদরে এবং ৬৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু আছে। ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৮১ হাজার ৯২৮ জনকে সেবা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনের শিকার ৪৯ হাজার ৭৬৭ জন, যৌন নির্যাতনের শিকার ৩১ হাজার ৫৯৬ জন এবং অগ্নিদগ্ধ ৫৬৫ জন সেবা পেয়েছেন। তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে ৬৪ জেলা এবং দেশের প্রত্যেক উপজেলায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল বা সেন্টার চালু করা।
দেশের সব সরকারি জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালের ওসিসিতে ভুক্তভোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয় বিনামূল্যে করতে হলে এ খাতে সরকারি বরাদ্দের প্রয়োজন। তাই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে জোরালো উদ্যোগ নিতে হবে
ইইউয়ে রপ্তানির শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে বাংলাদেশের