কাজী জহিরুল ইসলাম

কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক ড. মাহবুব হাসান আমার প্রাণের বন্ধু। তিনি বেশ ক’বছর নিউ ইয়র্কে ছিলেন, এখানে আমাদের বাসা কাছাকাছিই ছিল। রোজ বিকালে একসঙ্গে হেঁটে আমাদের চিনিরোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতাম। জ্যামাইকার একটি রেস্টুরেন্টে বসে এক কাপ চা আর একটি নানরুটি দুজনে ভাগ করে খেতাম, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতাম।

চারটি জাতীয় দিবসের মধ্যে ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে আমরা নতুন আমেজে, নতুন উদ্দীপনায় তিনটি দিবস, ১৬ ডিসেম্বর, ২১ ফেব্রুয়ারি এবং ২৬ মার্চ, উদযাপন করেছি, চতুর্থ দিবসটি এদেশের মানুষ বিপুল উৎসাহে নতুনভাবে উদযাপনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধানের দায়িত্বে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তি না থেকে অন্য যে কেউ থাকলে বাংলাদেশকে পৃথিবীর মানুষ একটি উগ্র মৌলবাদী দেশের তালিকায় ফেলে দিত।

শুরু থেকেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে একটা যুদ্ধাবস্থায় দেখেছি। এটি ছিল কল্যাণের যুদ্ধ। মানুষের মুক্তির যুদ্ধ। ফ্যাসিবাদ থেকে, দেশীয় এবং আঞ্চলিক দাসত্ব থেকে মুক্তির যুদ্ধ, সার্বভৌমত্বকে নিরাপদ রাখার যুদ্ধ।