ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

পবিত্র হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম, যা মুসলমানের জীবনে এক গভীর আধ্যাত্মিক ও অনন্য অভিজ্ঞতার নাম। প্রতিবছর বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের মতো বাংলাদেশ থেকেও হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে সুষ্ঠু, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা নিঃসন্দেহে একট

বিশ্বমানচিত্রে হরমুজ প্রণালি এক টুকরো সরু জলরেখা—কিন্তু এর ভেতরেই জমাট বেঁধে আছে আধুনিক সভ্যতার শক্তি, অর্থনীতি ও সংঘাতের ইতিহাস। পারস্য উপসাগর আর ওমান উপসাগরের মাঝখানে অবস্থিত এই প্রণালি শুধু ভৌগোলিক বাস্তবতা নয়; এটি একধরনের অদৃশ্য স্নায়ু, যার স্পন্দনে ওঠানামা করে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, কূটনীতি

বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এ দেশের সামাজিক ও নৈতিক জীবনে আলেম-ওলামাদের প্রভাব সুদীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান। মসজিদ, মাদরাসা, খানকাহ, ওয়াজ-মাহফিল এবং ধর্মীয় শিক্ষার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে

রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক বিষয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ক্ষমতার পালাবদল হয়, নতুন নেতৃত্ব আসে, নতুন নীতি নির্ধারিত হয়। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—এই পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরেও আচরণগত পরিবর্তন দেখা যায়।

জাহিলি যুগে আরব দেশে কন্যাসন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো, কারণ কন্যাসন্তান জন্মদান করা ছিল তাদের জন্য সামাজিকভাবে অমর্যাদাকর। বাবা তার ঔরসজাত কন্যার নিষ্পাপ মুখ দেখতেও রাজি ছিল না। শুধু আরবে নয়, সারা দুনিয়ায় বিশেষত চীনা, গ্রিসীয়, রোমান ও ভারতীয় সমাজে প্রচণ্ড ধরনের লিঙ্গবৈষম্য ছিল। নারীদের অপবিত্র মনে

মানবিক আদর্শের দীপ্তিতে আলোকিত একটি কল্যাণধর্মী সমাজ প্রতিষ্ঠা ছিল বিশ্বনবী (সা.)-এর নবুওয়তি জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি গোঁড়ামি, কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা, নিপীড়ন, বঞ্চনা ও বৈষম্যের শৃঙ্খল ভেঙে মানবাধিকারের মুক্তিবার্তা বহন করেন।

একজন দক্ষ শিক্ষাবিদ হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন জননন্দিত রাজনৈতিক নেতা। বিএনপির ব্যানারে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে কিশোরগঞ্জ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

রহমত, মাগফিরাত ও জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির মাস মাহে রমজান। রমজানে ইবাদত, জিকির, কোরআন তেলাওয়াত, কৃচ্ছ্রসাধন ও আল্লাহর একনিষ্ঠ আনুগত্যের স্বর্গীয় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। কেবল পানাহার ও পাপাচার ত্যাগ করলেই রোজা পালন হয় না।

ইসলাম প্রচারধর্মী দ্বীন। দাওয়াত ও তাবলিগ ইসলামের রক্ষাকবচ। যুগে-যুগে, কালে-কালে তাবলিগের দায়িত্ব পালন করেন পূর্ববর্তী সব নবী-রাসুল। সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবীও এ দায়িত্ব পালন করেন গোটা ২৩ বছর।