Dr Sirajul I Bhuiyan

ভারতের দ্বন্দ্ব প্রকট : একদিকে তারা মানবিক সহায়তা দিয়েছে—২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর নেপালে ত্রাণ, মহামারির সময় ভ্যাকসিন, শ্রীলঙ্কায় জরুরি জ্বালানি। অন্যদিকে তারা এই সদিচ্ছা নষ্ট করেছে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ বা সীমান্তকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। নেপালের ২০১৫ সালের অবরোধ তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ব

২০০৯ থেকে ২০২৩—দীর্ঘ দেড় দশক ক্ষমতায় থাকার সময় শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে এক অভূতপূর্ব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সরকারি বয়ানে সম্পর্কটিকে বলা হয় ‘ঐতিহাসিক’ ও ‘অটুট,’ এবং তুলে ধরা হয় আঞ্চলিক সহযোগিতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে। কিন্তু এই চকচকে কথার আড়ালে ছিল এমন সব চুক্তি ও ছাড়, যা সমালোচকদের মতে বারবার

বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকে রহমানের প্রতিবেদনকে কেবল ব্যক্তিগত ক্ষোভ হিসেবে দেখা উচিত নয়, বরং একটি জাতীয় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা প্রয়োজন। এই বর্ণনা দেখায় কতটা গভীরভাবে বাইরের প্রভাব বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে এবং এর ফলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সততা নিয়ে জরুরি প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে।

নোবেলজয়ী ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরের লক্ষ্য ছিল বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানকে নতুন রূপ দেওয়া। বাংলাদেশকে বড় বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

একটা ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। অতীত আর ভবিষ্যৎ এখানে এসে মিলেছে। ইতিহাস বিরতি নিয়েছে। নতুন শুরুর একটা সুযোগ যেন এসেছে। এই দেশ রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখেছে,

বাংলাদেশের ইতিহাস সংগ্রাম আর গর্বের। সামান্য কয়েকজন নেতা সত্যিকার অর্থে এই জাতির চেতনাকে ধারণ করতে পেরেছেন

২০২৪ সালের গণতান্ত্রিক বিপ্লব বিচার আর ন্যায্যতার দরজা খুলে দিয়েছে। এমন একটা সরকারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে এসেছে বিপ্লব, যে সরকার জনগণের কথা শোনে।

ভারত আর পাকিস্তানের সংঘাত, বিভাজন, আর উত্তেজনার ইতিহাস দীর্ঘ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সাম্প্রতিক অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন সিঁদুর। এই অভিযান শুধু সামরিক পদক্ষেপ নয়, এটা সতর্কভাবে সাজানো একটা রাজনৈতিক নাটক।

হাসিনার আমলে বাংলাদেশে মিডিয়ার মালিকানা আওয়ামী লীগের অনুগত ব্যবসায়ীদের হাতে চলে গিয়েছিল। এই মিডিয়া মালিকদের সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। দলের এজেন্ডা অনুসরণ করেছে তারা। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা উধাও হয়ে গেছে। সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিধ্বনি হয়েছে সম্পাদকীয় নীতিমালায়।