শাহীদ কামরুল

আমেরিকা কি সত্যিই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, নাকি একটি টেকনো-প্লুটোক্রেটিক করপোরেট ব্যবস্থা দ্বারা পরিচালিত একটি দেশ? কথাটি অনেকের কাছে আজিব মনে হলেও এটাই সত্য, আধুনিক রাজনৈতিক তত্ত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে-যুক্তরাষ্ট্র কি প্রকৃত অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, নাকি এটি ধীরে ধীরে

মুসলিম বিশ্ব কেন একটি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠেনি—এই প্রশ্নটি ইতিহাস, দর্শন ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ামরা মনে করেন, মুসলিমদের ধর্ম এক হওয়ায় তাদের

আধুনিক আন্তর্জাতিক রাজনীতির ইতিহাসে বড় যুদ্ধগুলো প্রায়ই বিশ্বব্যবস্থার গভীর পুনর্গঠনের সূচনা করেছে। যখনই কোনো প্রভাবশালী শক্তির ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং নতুন শক্তি উত্থিত হয়, তখন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কাঠামো নতুনভাবে গঠিত হয়। এই প্রক্রিয়াকে বোঝার জন্য ইতিহাস, বোধ করি রাজনৈতিক তত্ত্ব, দর্শন ও

‘ইরান’ নামটি উচ্চারণ করলেই একাধিক ইতিহাস, একাধিক স্মৃতি, একাধিক বেদনা ও সম্ভাবনার স্তর একসঙ্গে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে। পারস্যের প্রাচীন সাম্রাজ্যিক গৌরব, ইসলামের নৈতিক মহিমা, সুফি কাব্যের রুহানি আবেশ, আধুনিক বিপ্লবের প্রতিশ্রুতি এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের দীর্ঘ ছায়া—সব মিলিয়ে ইরান এক জটিল সভ্যতার

ইতিহাসে প্রতীকের জন্ম কখনো শুষ্ক রাজনৈতিক ঘটনাপঞ্জি থেকে হয় না; তা জন্ম নেয় মানুষের হৃদয়ের গভীরতম নৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে। প্রাচীন গ্রিসের নাট্যকার সফোক্লিস তার ট্র্যাজেডি এন্টিগোন-এ এমন এক মুহূর্ত নির্মাণ করেছিলেন

আজকের লেখা লিখতে গিয়ে একটা গ্রিক মহাকাব্যিক ঐতিহ্যের এক মাশহুর কাহিনি মনে পড়ল, ট্রয়ের রাজপুত্র এনিয়াসের গল্প, যা পরে রোমান মহাকাব্যে নতুন অর্থ পায়। গ্রিক যুদ্ধশেষে ট্রয় ধ্বংস হলে এনিয়াস তার বাবাকে কাঁধে ও ছেলেকে হাতে নিয়ে ধ্বংসস্তূপ

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশের এই জটিল রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণকে বুঝতে গেলে একটি পুরোনো পাশ্চাত্য গল্প অদ্ভুতভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেÑ‘আ টেল অব টু সিটিসের’ (A Tale of Two Cities) সেই হৃদয়বিদারক অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা দিন দিন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়েছে, যেখানে পুরোনো দলীয় রাজনীতির কাঠামো ক্রমেই ভেঙে পড়ছে এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তির জন্য এক ধরনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

দার্শনিক অ্যান্টোনিও গ্রামশি দেখিয়েছিলেন, রাষ্ট্র শুধু দমনযন্ত্র দিয়ে টিকে থাকে না; টিকে থাকে হেজেমনির মাধ্যমে, অর্থাৎ সম্মতি উৎপাদনের ক্ষমতার ভেতর দিয়ে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের পতন সেই হেজেমনির ভাঙনের একটি ক্লাসিক উদাহরণ। ২০০৯-পরবর্তী সময়ে দলটি যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আধিপত্য গ

বাংলাদেশের সামনের নির্বাচন ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলোÑদেশ কোন পথে এগোবে : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পুনরুদ্ধার, নাকি স্বৈরতান্ত্রিক দমননীতির ধারাবাহিকতা। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকে উন্নয়নের কিছু চিত্র দেখালেও বাস্তবে দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্র, বিচারবহির্ভূত হত্যা

ট্রোজান যুদ্ধের কাহিনিতে গ্রিকরা ১০ বছরেও ট্রয়ের দুর্গ ভেদ করতে পারেনি। শেষে তারা এক অভিনব কৌশল নেয়—এক বিশাল কাঠের ঘোড়া তৈরি করে সেটিকে উপহার হিসেবে রেখে যায়। ট্রোজানরা ভেবেছিল এটি বিজয়ের প্রতীক, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ঘোড়ার ভেতরে লুকিয়ে ছিল গ্রিক সেনারা।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে একধরনের নীরব কিন্তু দৃঢ় প্রত্যাশার বাতাস বইছে। মাঠপর্যায়ের গণসংলাপ এবং রাস্তায়-হাটে সাধারণ মানুষের অন্তরঙ্গ আলাপচারিতায় জামায়াতের প্রসঙ্গ আসছে।

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির বর্তমান চিত্রকে অনেকটা গ্রিক পুরাণের ইকারাসের গল্পের সঙ্গে তুলনা করা যায়। ইকারাস ছিল ডেডালাসের ছেলে, যে পালক ও মোম দিয়ে তৈরি ডানায় ভর করে আকাশে উড়েছিল। কিন্তু তার বাবা তাকে সতর্ক করেছিলেন-অতি উঁচুতে যেও না, সূর্যের উত্তাপে মোম গলে যাবে; আর অতি নিচে যেও না, সাগরের লোনা জল ডান

মব বা জনতার উন্মত্ত সমাবেশকে যদি হঠাৎ ঘটে যাওয়া সহিংসতা হিসেবে দেখা হয়, তবে আমরা সমস্যার গভীরে পৌঁছাতে পারি না। মব আসলে একটি সামাজিক প্রক্রিয়া, যেখানে ব্যক্তি, রাষ্ট্র ও নৈতিকতার সম্পর্ক ভেঙে পড়ে।

আজকের বিশ্বে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক বোঝার সবচেয়ে সহজ সত্য হলো নৈতিক ক্ষমতার চেয়ে এখন টেকনো-প্লুটোক্রেটিক করপোরেট ক্ষমতাই বেশি প্রভাবশালী, কারণ আধুনিক গণমাধ্যমের পুরো অবকাঠামো—সোশ্যাল মিডিয়া, সার্চ ইঞ্জিন, অ্যালগরিদম ও ডেটা সবই

মহান বিপ্লবী প্রিয় শহীদ শরীফ ওসমান হাদির জন্য এই লেখাটা লিখতে গিয়ে আমাকে কাগজে লাঙল চালাতে হয়েছে—আর সেই লাঙলের ফলায় বারবার আটকে গেছে বুকের ভেতরের জমে থাকা কান্না।

জাতীয়তাবাদের প্রতীক প্রাচীন রোমেও খুঁজে পাওয়া যায়। ভারজিলের লেখা আনিয়েড (Aeneid) মহাকাব্যে দেখা যায়, ট্রোজান বীর এইনিয়াস দীর্ঘ সংগ্রাম ও যাত্রার পর রোমের ভিত্তি স্থাপন করেন। এখানে বোঝানো হয়েছে, রাষ্ট্র শুধু ভূগোলের ওপর দাঁড়ায় না; বরং ত্যাগ, কল্পনা ও ভাগাভাগি করা মিথের ভিত্তিতেও গড়ে ওঠে। বাংলাদেশের

বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ভার্জিয়া উল্ফ ‘Shakespeare’s Sister’ প্রবন্ধে একটি কাল্পনিক গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন, কীভাবে নারীর সৃজনশীলতা অবদমিত হয়, কীভাবে সাহিত্যচর্চা থেকে তারা বঞ্চিত হয় এবং পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীর অবস্থান কীভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

আধুনিক রাজনীতি শুধু ক্ষমতার কৌশল নয়, এটি আসলে এক গভীর দর্শনগত ও নৈতিক সংগ্রাম—যেখানে প্রশ্ন ওঠে, কে কথা বলবে, কে নীরব থাকবে আর কাকে কথা বলতেই দেওয়া হবে না। নিউ ইয়র্কে মামদানি বা বাংলাদেশের প্রান্তিক রাজনীতিকদের উত্থান এই মৌল প্রশ্নটিকেই নতুন করে সামনে এনেছে।

জাতি ও জাতীয়তাবাদ মানবসভ্যতার ইতিহাসে অত্যন্ত জটিল কিন্তু মৌলিক ধারণা, যা আধুনিক রাজনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ‘জাতি’ শব্দটি লাতিন Natio থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ জন্ম বা বংশ।

‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ আজকের বিশ্বরাজনীতির এক গভীর প্রতীকী ও নৈতিক আন্দোলন, যার উদ্দেশ্য হলো ইসরাইলের আরোপিত গাজা অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। এটি শুধু খাদ্য ও ওষুধ বহনকারী কিছু নৌযান নয়; বরং এটি বৈশ্বিক মানবতা, ন্যায়বোধ এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চেতনার এক প্রতিবাদী বহিঃপ্রকাশ।

প্রাচীন রোমের কলোসিয়ামে যেমন একসময় সিংহ আর যোদ্ধার দ্বন্দ্ব হতো, তেমনি আজকের বিশ্বমঞ্চেও নতুন কলোসিয়াম তৈরি হয়েছে। সেখানে দুই যোদ্ধা—পাকিস্তান ও সৌদি আরব—হাত মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের জোট যেন গ্রিক পুরাণের দুই দেবতার অঙ্গীকারের মতো, যেখানে জিউস শপথ নিতেন সমুদ্রদেব পোসেইডনের সাথে, আকাশে ঝড় উঠলে

শিবিরের বিজয় কেবল ক্যাম্পাসের ঘটনা নয়, এটি একটি জাতীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রাথমিক ইঙ্গিত, যা দেখাচ্ছে, যদি বিএনপি বা অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী দল জনগণের সঙ্গে যথাযথ সংযোগ স্থাপন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ডাকসু ফলাফলের মতো জাতীয় নির্বাচনেও তাদের পিছিয়ে পড়া বা হারানো সম্ভব।

তাই, এ বিষয়টি নিয়ে একটু মোজাকারা করা লাজেমি অনুভব করলাম। তাছাড়া অনেক পাঠকও এ বিষয়ে লেখার জন্য অনুরোধ করে ছিলেন। আজকের লেখাটি লেখার সময় ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি থমাস হার্ডির টেস অব দ্য ডি’আরবারভিলস (Tess of the d’Urbervilles) ট্র্যাজিক উপন্যাসটির কথা ইয়াদে এলো, যেখানে প্রধান

মানুষের যে উমিদ ছিল, সরকারের কাছে তার সিকিভাগও পূরণ হয়নি। তা ছাড়া এতগুলো মানুষ জীবন দিয়েছে শুধু একটি নির্বাচনের জন্য নয়, বরং পুরো রাষ্ট্রকাঠামো বদলানোর জন্য। বোধ করি, সবচেয়ে বড় কারণটা হলো ১৩ জুন তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের লন্ডন বৈঠক। এই বৈঠকের কারণে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সরকারের প্রতি

এই বিপন্ন বিপ্লবের নিঃশব্দ প্রস্থান মনে করিয়ে দেয় কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী সাহিত্যিক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের লেখা ‘A Very Old Man with Enormous Wings’ গল্পটির কথা, যেখানে হঠাৎ এক ঝড়ের দিনে এক অদ্ভুত বৃদ্ধ মানুষকে পাওয়া যায়, যার পিঠে ছিল বিশাল ডানা।

উইলিয়াম শেকসপিয়ারের ট্র্যাজেডি ‘জুলিয়াস সিজার’ নাটকে দেখা যায়, রোমের রাজনীতিতে এক বিশাল সংকটের সময় কিছু সেনেটর মনে করেন—সিজার যেন একচ্ছত্র ক্ষমতায় বসে না পড়ে, সে জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্রুটাস বিশ্বাস করতেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সিজারকে সরিয়ে দেওয়া উচিত।

জিওভান্নি সার্তোরি তার পার্টি অ্যান্ড পার্টি সিস্টেমস তত্ত্বে দেখিয়েছেন, নির্বাচনি পদ্ধতি দলীয় ব্যবস্থার প্রকারভেদ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ঘাতক ইসরাইলের সমর্থকরা বিদ্বেষপ্রবণ ফুরিয়ে যাওয়া মানুষ হিসেবে চিহ্নিত হতে শুরু করে। সম্প্রতি পরিবেশ আন্দোলন কর্মী গ্র্যাটা থুনবার্গ ও তার বন্ধুদের ফিলিস্তিনে ত্রাণ দিতে যাওয়ার ঘটনা;

আইন জালুতের যুদ্ধের কথা দিয়ে আজকের লেখাটি শুরু করছি। ১২৬০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বর্তমান ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের জিজরেল উপত্যকায় আইন জালুত নামক জায়গার কাছে মামলুক সালতানাত ও মঙ্গোল সাম্রাজ্যের মধ্যে ঐতিহাসিক লড়াই সংঘটিত হয়। মামলুক বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন সুলতান কুতুজ ও সেনানায়ক বাইবার্স, আর হালাকুর

প্রতিবছর কোরবানির ঈদ এলেই কিছু লোক অবরে-সবরে, গোচরে-অগোচরে একটা ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর কোশেশ করে থাকেন যে প্রাণী হত্যা করা ঠিক নয়। আর ইদানীং তো অনেকে ডিজিটাল নেটওয়ার্কিংয়ে এসব নিয়ে ডিসকোর্স দাঁড় করানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন বুঝে হোক আর না বুঝে হোক।

আজকের লেখাটি লেখার সময় বিখ্যাত নোবেল লরিয়েট আইরিশ নাট্যকার, কবি ও ঔপন্যাসিক স্যামুয়েল বেকেটের ‘ওয়েটিং ফর গডো’ নাটকটির কথা মনে পড়ল। বেকেট তার নাটকে দেখাচ্ছেনÑভ্লাদিমির ডিডি ও স্ট্রাগন গুগু নামের দুজন অসহায় মানুষ অনন্তকাল ধরে অপেক্ষা করছে গডো নামের একজনের জন্য।

একাত্তর একটি মীমাংসিত ইতিহাস, কিন্তু অমীমাংসিত রাজনীতি। ৭১ মীমাংসা করতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে পূর্বে। আমি মনে করি, ৭১-কে বোঝার জন্য শুধু হিস্টোরিওগ্রাফি ও হিস্টোরিওসিটি যথেষ্ট নয়, তার সঙ্গে নিওহিস্টরিসিজম থাকা প্রয়োজন।

কিছুদিন ধরে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মধ্যে হরদম একটা কথা খুবই চাউর হচ্ছে, যা আমি বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে ঠাহর করলাম, এমনকি হট ও কোল্ড মিডিয়ায় এবং সাংবাদিকদের দেখি প্রশ্ন করতে বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের, এ সরকারের মেয়াদ কত দিন বা এ সরকারের বৈধতা কী? তখন মনে হলো যে এ বিষয়টা একটু ক্লিয়ার

আধুনিক পহেলা বৈশাখ পালন শুরু হয় ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে এটি পালন শুরু করে বাংলার জমিদার ও এলিট শ্রেণীর মানুষরা।

প্রায় প্রাচীনকাল থেকেই এ অঞ্চলে নববর্ষের উৎসব পালন হয়ে আসছিল। বৈশাখ মূলত সৌর বৎসরের বাংলা হিসাব। এটি বাংলা, তামিল, পাঞ্জাব ও আসাম অঞ্চলের কমবেশি সব জায়গাতেই পালন করা হতো।

ইরানিয়ান একটি প্রবাদ আছে : ‘A good neighbour is better than one’s relatives’ আমার ধারণা, ইরানিয়ানরা এই প্রবাদটির মর্মার্থ যতটা বুঝেছেন, তার চেয়ে ঢের বেশি বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত বুঝে যাচ্ছেন কখনো সীমান্তের কাঁটা তারে ঝুলন্ত লাশ হয়ে

বর্তমান বিশ্বে জীবিত শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবীদের যেকোনো তালিকায় প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রথম পাঁচজনের মধ্যে থাকবেন।

মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের ওপর অনন্ত মালিকানা দাবি করে গণতন্ত্রকে সামন্ততন্ত্রে পরিণত করার চর্চা হয়েছে দেশে ১৬ বছর ধরে হাসিনার শাসনামলে। তবে ছাত্রদের জুলাই বিপ্লব ইতোমধ্যে প্রমাণ করে দিয়েছে, ওই যুগটির ইতি ঘটেছে এবং আমরা একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছি।

বিশ্লেষকদের মতে, জেন জির মূল বৈশিষ্ট্য হলো তারা কর্মদক্ষতার চেয়ে বুদ্ধিমত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা যেকোনো ধরনের সমালোচনাকে থোরাই পাত্তা দেয়। তারা সবসময় বাস্তবসম্মত শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হয়।

অনেকেই আজকাল জিজ্ঞাসা করেন, মুজিববাদ কাকে বলে? আসলে, মুজিববাদ নামক ধারণার আবিষ্কারক হলেন সিরাজুল আলম খান।