আবু সাউদ মাসুদ, নারায়ণগঞ্জ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচ আসনের তিনটিতেই নির্বাচনি সমীকরণ জটিল করে তুলেছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা। কোথাও মনোনীত প্রার্থীর বিপরীতে সাবেক এমপি, কোথাও একাধিক বহিষ্কৃত নেতা মাঠে থাকায় ভোটের হিসাব বদলে যাচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে। নারায়ণগঞ্জ-২, ৩ ও ৪—এই তিন আসনে মূল

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনটি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জোট শরিক হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছাড় দিয়েছে বিএনপি। এখানে জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী। আসনটি বিএনপি ছেড়ে দিলেও মাঠ ছাড়তে নারাজ দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

নারায়ণগঞ্জের সংসদীয় আসন পাঁচটি। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের জন্য চারটিতে প্রাথমিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর মধ্যে তিনটিতেই মনোনয়নবঞ্চিতদের ক্ষোভ মাঠে গড়িয়েছে। এসব আসনে দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত পালন হচ্ছে মশাল মিছিল, বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি।

নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে পুলিশের পাশাপাশি অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে মাঠে নামেন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমানসহ ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীরা এসব অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন

কোটা সংস্কার দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কনিষ্ঠ এক শহীদ রিয়া গোপ। মাত্র ৬ বছর বয়সি শিশুটি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। ৯ জুলাই দুপুরের পর থেকে নারায়ণগঞ্জ শহরের ডিআইটি এলাকায় আন্দোলনকারী ও পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলছিল।

৫ আগস্ট সকালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ঢাকা শহর ছিল উত্তাল। প্রতিবাদমুখর ছাত্র-জনতা রাজধানীর বাড্ডায় মিছিল করছিল। তাতে অংশ নেন কাজী ফারুক। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ও ছররা গুলি ছোড়ে। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় মিছিল।