আব্দুল্লাহ আল মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম

আজ ৭ জানুয়ারি। বিশ্বজুড়ে আলোচিত কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার ১৫ বছর পূর্ণ হলো। কুড়িগ্রাম সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকা কিশোরী ফেলানীকে খুনের ঘটনার দেড় দশক পেরিয়ে গেলেও আজও বিচার পায়নি পরিবার। বিচারের দাবিতে ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম গত ১৫ বছর ধরে ভারতের বিএসএফ কোর্ট থেকে শুরু করে হাইকোর্টে ধরনা

কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের চরাইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শ্রেণির ক্লাস চলছে একটি টিনশেট রুমে। প্রায় দেড় বছর আগে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে বিদ্যালয়টি বিলীন হয়ে যাওয়ার পর ধুকেধুকে চলছে তার শিক্ষা কার্যক্রম।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে কোদালকাটি ইউনিয়ন বিএনপির কতিপয় নেতার সহযোগিতায় পরিষদে যান ছক্কু চেয়ারম্যান। এ নিয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফকে তার বসতবাড়ি ও বসতঘরের গেট ভেঙ্গে তুলে নিয়ে যান জেলা প্রশাসনের তিন ম্যাজিস্ট্রেট আরডিসি নাজিম উদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা এবং এস এম রাহাতুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তাকে ক্রসফায়ারে দেওয়ার উদ্দেশ্যে জেলা শহরের পূর্বে ধরলা নদীর তীরে নেওয়া হয়।