আরিফ বিন নজরুল

ইন্টারনেটে আমরা হেঁটে বেড়াই বা চলাচল করি প্রতিদিন। অর্থাৎ ইন্টারনেট ব্যবহার করি প্রতিনিয়ত। কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করি। কখনো অনলাইনে কেনাকাটা। কখনো শুধু সার্চ করি একটি শব্দ। কিন্তু এই হাঁটার পথেই অদৃশ্যভাবে জমে থাকে আমাদের পদচিহ্ন। এই পদচিহ্নই হলো ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট।

প্রথমদিকে কম্পিউটার যত দ্রুত চলে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই গতি যেন ধীরে ধীরে কমে আসে। ব্রাউজার খুলতে সময় লাগে। ওয়েবসাইট লোড হয় ধীরে। স্টোরেজও হঠাৎ করে ভরে যায়। এ সমস্যার পেছনে বড় একটি কারণ হলো ব্রাউজার ক্যাশ ও টেম্পোরারি ফাইল। চোখে না পড়লেও এই ফাইলগুলো প্রতিদিন জমতে জমতে কম্পিউটারকে ভারী করে।

অফিসের জরুরি ফাইল। পরীক্ষার অ্যাসাইনমেন্ট বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো রিপোর্ট সব ঠিকঠাক চলছিল। হঠাৎ করেই কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেল। কোনো সতর্কতা নেই, কোনো বার্তা নেই। মুহূর্তেই মাথায় ঘুরতে থাকে একটাই প্রশ্ন ডেটা কি সব হারিয়ে গেল? এমন অভিজ্ঞতা আজকের দিনে খুবই সাধারণ। কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত।

বিদ্যুৎ না থাকলে আধুনিক জীবনের গতি যেন হঠাৎ থেমে যায়। মোবাইল ফোনের চার্জ শেষ হয়ে আসছে, ইন্টারনেট নেই, ল্যাপটপ বন্ধ— এমন পরিস্থিতি এখন দেশের বহু এলাকায় নিয়মিত বাস্তবতা। শহর হোক বা গ্রাম, লোডশেডিং ও বিদ্যুতের সংকট প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে

একই সময়ে দুটি ভিডিও আপলোড করা হলো। একটিতে লাখ লাখ ভিউ, অন্যটি পড়ে রইল কয়েকশতে। প্রশ্নটা তখনই মাথায় আসে কেন? এখানে কি ভাগ্যের হাত আছে, নাকি গোপনে কেউ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কোন ভিডিও সামনে যাবে, আর কোনটি আড়ালেই থেকে যাবে? উত্তরটা লুকিয়ে আছে একটি অদৃশ্য শক্তির হাতে, যার নাম অ্যালগরিদম।

হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়া, আবার হঠাৎ এসে পড়া। বাংলাদেশের ঘরোয়া বাস্তবতায় খুবই পরিচিত ঘটনা। কিন্তু এই বিদ্যুৎ ওঠানামার মধ্যেই নীরবে বড় ঝুঁকিতে পড়ে ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ কম্পিউটার। অনেক সময় দেখা যায়, এক মুহূর্তের বৈদ্যুতিক শকেই নষ্ট হয়ে যায় মাদারবোর্ড, পাওয়ার সাপ্লাই বা চার্জার।

মোবাইল স্ক্রিনে আঙুল একবার টান দিলেই নতুন ভিডিও। কখনো ১৫ সেকেন্ডের হাসির ক্লিপ। কখনো ৩০ সেকেন্ডের তথ্য। আবার কখনো এক ঘণ্টার গভীর আলোচনা। ডিজিটাল দুনিয়ায় এখন দুটি ফরম্যাট মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শর্ট ভিডিও ও লং ভিডিও। একদিকে টিকটক, রিলস, শর্টসের দ্রুতগতির দাপট । অন্যদিকে ইউটিউবের দীর্ঘ ভিডিও।

উন্নত সেন্সর, অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন, AI প্রসেসিং সব মিলিয়ে স্মার্টফোন এখন এক ধরনের ক্ষুদ্রাকৃতির ফিল্ম স্টুডিও। তবে শুধু ভালো ফোন থাকলেই সিনেমাটিক ভিডিও হবে না। প্রয়োজন কিছু কৌশল, চোখ ও গল্প দেখার ক্ষমতা। আর সে কারণেই স্মার্টফোন ভিডিওগ্রাফি তরুণদের মধ্যে আলাদা একটি শিল্প হিসেবে গড়ে উঠছে।

আজকের দিনে ভিডিও নির্মাণ আর আগের মতো সময়সাপেক্ষ কাজ নয়। প্রযুক্তি বদলে দিয়েছে ভিডিও তৈরির ধরন। আগে একটি ভিডিও বানাতে ক্যামেরা সেটআপ, আলো, শুটিং, কাটিং, এডিটিং, মিউজিক ও সাবটাইটেল। প্রতিটি ধাপে লেগে যেত অনেক সময়, পরিশ্রম ও দক্ষতা। এখন সেই জায়গায় এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

একজন গেমার যখন নতুন গেমিং পিসি কিনে নিয়ে আসেন, তার চোখে থাকে উত্তেজনা। শক্তিশালী প্রসেসর, দারুণ গ্রাফিকস কার্ড, RGB লাইট, লিকুইড কুলিং—সব মিলিয়ে যেন অন্য জগতের যন্ত্র। একই সময়ে অন্যদিকে অফিসে বসে কাজ করেন যে কর্মী, তার কম্পিউটারটিও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও বাহ্যিক আলো ঝলকানি নেই।

কম্পিউটার ধীর হয়ে গেলে কাজের গতি কমে যায়। বিরক্তি বাড়ে এবং উৎপাদনশীলতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ধীরগতির এই সমস্যাগুলো তৈরি হয় কিছু সাধারণ কারণে। যেমন : অতিরিক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড সফটওয়্যার। অপ্রয়োজনীয় স্টার্টআপ অ্যাপ। কম RAM অথবা পুরোনো হার্ডড্রাইভ।

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের ডেনভারে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল কমিউনিকেশন অ্যাসোসিয়েশনের (এনসিএ) এবারের বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক গবেষকদের একাধিক গবেষণা উপস্থাপিত হয়েছে।

স্মার্টফোন এখন কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়। এটি আমাদের প্রতিদিনের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত হাতে থাকে ফোন। কাজ, বিনোদন, সামাজিক যোগাযোগ, এমনকি পড়াশোনাও এখন মোবাইলনির্ভর। কিন্তু এই অপরিহার্য যন্ত্রটির সঙ্গে লুকিয়ে আছে এক নীরব শত্রু।

প্রযুক্তিনির্ভর পৃথিবীতে মোবাইল অ্যাপ এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঘর থেকে বের না হয়েও খাবার অর্ডার, বিল পরিশোধ, গাড়ি বুকিং, পড়াশোনা কিংবা অফিসের কাজ। সবই সম্ভব হচ্ছে এক ক্লিকেই।

ডিজিটাল যুগে ভালোবাসাও এখন অনলাইনে! আধুনিক তরুণ-তরুণীরা ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে নতুন সম্পর্ক গড়ছেন। ‘সোশ্যাল কানেকশন’ বা ‘রোমান্টিক ম্যাচ’ খোঁজার এই প্ল্যাটফর্মগুলো অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে একাকিত্ব দূর করার সহজ উপায়।

প্রথমেই জানা দরকার, আধুনিক ল্যাপটপগুলো সাধারণত লিথিয়াম-আয়ন (Li-ion) বা লিথিয়াম-পলিমার (Li-Poly) ব্যাটারি ব্যবহার করে। এই ব্যাটারিগুলোর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—এগুলোতে ‘ওভারচার্জ প্রোটেকশন সার্কিট’ থাকে। অর্থাৎ ব্যাটারি শতভাগ পূর্ণ হলেই চার্জ বন্ধ হয়ে যায়। এবং বিদ্যুৎ সরাসরি ল্যাপটপের সিস্টেমে প্রবাহ

মোবাইল ফোন যেন আমাদের জীবনের অঙ্গ। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত ফোনই এখন যোগাযোগ, বিনোদন, অফিস, ব্যাংকিং—সবকিছুর সঙ্গী। কিন্তু এই অপরিহার্য ডিভাইসটি হঠাৎ একদিন আপনার হাতেই বিস্ফোরিত হতে পারে। ভাবতেই ভয় লাগে! দুর্ভাগ্যবশত এমন ঘটনা বাস্তবেও ঘটছে।

আজকের ডিজিটাল দুনিয়ায় ফাইল শেয়ারিং আমাদের কাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অফিস থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট কিংবা ফ্রিল্যান্স কাজ, সব জায়গাতেই প্রতিদিন অসংখ্য ফাইল আদান-প্রদান হয়।

ইন্টারনেট এখন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়। কাজ, শিক্ষা, ব্যাংকিং থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই সুবিধার ভিড়েই লুকিয়ে আছে নানা ধরনের সাইবার ঝুঁকি।প্রতিদিনই বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ কম্পিউটার ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার কিংবা র্যানসমওয়্যারের আক্রমণের শিকার হয়।

কম্পিউটার কেনার সময় আমরা সাধারণত প্রসেসরের গতি, গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষমতা কিংবা র্যামের আকার নিয়ে চিন্তা করি। কিন্তু একটি যন্ত্রাংশকে বেশির ভাগ সময় অবহেলা করা হয়। আর তা হলো পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU)। অথচ এটিই হলো সেই অংশ, যা প্রতিদিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পুরো সিস্টেমকে সচল রাখে

কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের অন্যতম বড় সমস্যার নাম হলো অতিরিক্ত গরম হওয়া। দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে, ভারী সফটওয়্যার চালালে বা গেম খেলার সময় কম্পিউটার হিট হয়। হঠাৎ মেশিন ধীর হয়ে যায় বা হ্যাং করে। কখনো আবার হুট করে বন্ধও হয়ে যায়।

প্রযুক্তির দুনিয়ায় এক নতুন বিপ্লবের নাম ফাইভ-জি। চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) পরবর্তী ধাপ হিসেবে এই নেটওয়ার্ক শুধু ইন্টারনেটের গতি বাড়ায়নি, বরং বদলে দিয়েছে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বিনোদনের পুরো চিত্র। অনেকেই ফাইভ-জিকে শুধু ‘দ্রুত ইন্টারনেট’ হিসেবে ভাবেন। কিন্তু এর কার্যকারিতা

দৈনন্দিন জীবনে ছবি এখন শুধু স্মৃতির বাহন নয়। বরং একেকটি মূল্যবান ডকুমেন্টের মতো। জন্মদিনের মুহূর্ত, পারিবারিক ভ্রমণ, কিংবা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজের ছবি সবই আমরা জমিয়ে রাখি গুগল ফটোসে। কিন্তু হঠাৎ অসাবধানবশত মুছে যাওয়া কোনো ছবিই যেন বুকের ভেতর শূন্যতা তৈরি করে।

বাংলাদেশের কৃষি শুধু অর্থনীতির মেরুদণ্ড নয়, এটি গ্রামীণ জীবনের প্রাণও বটে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, শ্রমিক সংকট আর উৎপাদনব্যয় বৃদ্ধির কারণে প্রচলিত কৃষিব্যবস্থা ক্রমেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। কিন্তু কৃষকসমাজ হাল ছাড়েনি। প্রযুক্তিকে সঙ্গী করে তারা পা রেখেছে এক নতুন যুগে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, নতুন ল্যাপটপ কিছুদিন পরই আগের মতো ব্যাকআপ দেয় না। আসলে ব্যাটারি ঠিকভাবে ব্যবহার না করার কারণেই এর স্থায়িত্ব দ্রুত কমে যায়। অথচ কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে ল্যাপটপের ব্যাটারিকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

বর্তমান সময়ে ল্যাপটপ শুধু পড়াশোনা বা অফিসের কাজের জন্য নয়, বরং বিনোদন, গ্রাফিক ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং থেকে শুরু করে গেমিং পর্যন্ত জীবনের অপরিহার্য এক সঙ্গী হয়ে উঠেছে। বাজেট ও প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ল্যাপটপ বেছে নিতে হয়। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, কনফিগারেশন অনুযায়ী কোন ল্যাপটপের দাম কেমন? রাজধানীর প্রযুক্তির

সকালে ঘুম থেকে ওঠে অনেকেই প্রথম কাজ হিসেবে হাতে নেন স্মার্টফোন। ফেসবুকে নিজের ঘুম ভাঙার ছবি। ইনস্টাগ্রামে ব্রেকফাস্টের প্লেটের ছবি। টুইটারে অফিস যাওয়ার পথের সেলফি। সবই ভেসে ওঠে সবার নিউজফিডে। অনেকে আবার সন্তানের নাম, জন্মদিন, স্কুলের নাম এমনকি ভ্রমণের সময় যাবতীয় তথ্য খোলাখুলিভাবে শেয়ার করেন।

আধুনিক অফিস মানে শুধু টেবিল-চেয়ার বা কাগজের ফাইল নয়। এখন অফিসের বড় অংশই প্রযুক্তিনির্ভর। দিনে দিনে কাজের ধরন পাল্টে যাচ্ছে। দলগত কাজ, রিমোট অফিস, অনলাইন মিটিং, শেয়ারড ফাইল ও ডেডলাইন মেনে কাজ শেষ করা সবকিছুই এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল।

ডিজিটাল যুগে আমাদের ডেটা মানেই স্মৃতি। কাজ, প্রজেক্ট সবকিছু। ক্লাউডে নাকি নিজের লোকাল ডিভাইসে? দুটিরই আছে সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা। আর কোনটা বেছে নেবেন, তা নির্ভর করবে আপনার প্রয়োজন ও পরিস্থিতির ওপর। ক্লাউড স্টোরেজ বলতে বোঝায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা অনলাইনে সংরক্ষণ করা।

ডিজিটাল যুগে পড়াশোনার ধরন বদলে গেছে। আগে যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বই, নোট ও রেফারেন্স বই ঘেঁটে তথ্য বের করতে হতো। এখন সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি কয়েক সেকেন্ডেই সেই কাজ সেরে দিচ্ছে। এআই শুধু তথ্য খুঁজে দেয় না।

কৌশলে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, এমনকি আর্থিক লেনদেনের তথ্যও হাতিয়ে নিচ্ছে। একবার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে শুধু প্রোফাইল হারানোর ঝুঁকি নয়। বরং পরিচয় চুরি, প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল এমনকি আপনার বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা করার মতো বড় বিপদও ঘটতে পারে। তাই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার পর দ্রুত এবং সঠিক পদক্ষেপ

ইউটিউব এখন শুধু বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম নয়; বরং লাখো মানুষের আয়ের অন্যতম বড় মাধ্যম। কিন্তু কনটেন্ট তৈরি করতে গিয়ে অনেক ক্রিয়েটরই হঠাৎ কপিরাইট স্ট্রাইকের মুখে পড়েন, যা শুধু আয় বন্ধ করে দেয় না;

আমরা প্রতিদিন যে ইন্টারনেট ব্যবহার করি, সেটি আসলে এক বিশাল সমুদ্রের ওপরের স্তর। গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব বা অনলাইন শপিং সাইট এসবই শুধু দৃশ্যমান অংশ। এর নিচে আছে আরো গভীর স্তর। যাকে বলা হয় ডিপ ওয়েব। আর সেই ডিপ ওয়েবের অন্ধকার কোণেই লুকিয়ে আছে ভয়ংকর এক জগৎ ডার্ক ওয়েব।

প্রতিদিনই আমাদের অনেকের ফোনে এক বা একাধিক অজানা নম্বর থেকে কল আসে। কখনো ‘আপনি পুরস্কার পেয়েছেন, কখনো বা লটারি জিতেছেন’। এমন প্রলোভনমূলক কথা বলে তারা ব্যক্তিগত তথ্য নিতে চায়। আবার কোনো কোনো স্প্যাম কল শুধু হ্যালো বলেই লাইন কেটে দেয়। যার পেছনে থাকতে পারে ভয়েস রেকর্ডিং বা ফ্রড প্রযুক্তির ব্যবহার।

ঘুম থেকে উঠেই আমাদের হাতে ফোন। সারাটা দিন ফোন ছাড়া যেন আমাদের এক মুহূর্তও চলে না। কিন্তু হঠাৎ যদি ফোনটি স্লো হয়ে যায়? অ্যাপ খুলতে সময় নিচ্ছে। ভিডিও চলতে দেরি হচ্ছে, কিংবা টাইপ করতে গিয়েও দেরি। এই অভিজ্ঞতা এখন অনেকের নিত্যদিনের সঙ্গী। অথচ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব সমস্যার সহজ সমাধান রয়েছে হাতের কাছেই।

কখনো ভেবেছেন শুধু একটি বাক্য লিখে আপনি একটি সিনেমার মতো দৃশ্য তৈরি করতে পারবেন? ক্যামেরা, লাইট ও অ্যাক্টর কিছুই দরকার নেই। শুধু কল্পনা আর শব্দের জাদুতে ফুটে

একসময় আমরা চোখে দেখা এবং কানে শোনা তথ্যকেই সত্য বলে মেনে নিতাম। কিন্তু প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির যুগে দাঁড়িয়ে এখন এই দুই ইন্দ্রিয়কেই প্রশ্নবিদ্ধ হতে হচ্ছে। কারণ যে কণ্ঠে কথা বলছে, তা হয়তো আসল নয়; যে ভিডিওতে মুখ দেখা যাচ্ছে, সেটিও হয়তো কৃত্রিম।

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর অবশেষে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে গুগলের ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা ‘গুগল পে’। স্মার্টফোননির্ভর এই যুগে এর মাধ্যমে হবে স্মার্ট লেনদেন। গুগল পে-এর এই আগমন যেন দেশের ডিজিটাল আর্থিক খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা

আমরা এমন এক সময়ে পৌঁছেছি, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের হয়ে গোটা একটা প্রতিবেদন লিখে দিচ্ছে, ছবি এঁকে দিচ্ছে, কিংবা তৈরি করে দিচ্ছে এক মিনিটের ঝকঝকে ভিডিও।

একসময় কোরবানির ঈদ মানেই ছিল ঘর্মাক্ত দুপুরে পশুর হাটে ঘুরে বেড়ানো। হাঁকডাক, দরদাম আর শেষে ক্লান্তির সঙ্গে তৃপ্তি। সেই হাট এখন জায়গা করে নিচ্ছে অনলাইনের স্ক্রিনে। যেখানে গরু বা খাসি খুঁজতে ঘাম ঝরাতে হয় না। বরং কয়েকটি ক্লিকেই মিলছে কাঙ্ক্ষিত কোরবানির পশু। পরিবর্তনটা শুধু প্রযুক্তিগত নয়।

প্রচণ্ড যানজটে আটকে থাকা এক তরুণ। কানে ইয়ারফোন গুঁজে কোনো এক অজানা ভুবনে হারিয়ে গেছেন। রান্নাঘরে ভুনা খিচুড়ির ঘ্রাণের সঙ্গে মিশে আছে এক গৃহিণীর পছন্দের গল্পের পডকাস্ট। আবার রাজশাহীর এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, ক্লাসের বিরতিতে মনোযোগ দিয়ে শুনছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী অডিও

বাংলাদেশের প্রযুক্তি জগতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক এখন বাংলাদেশে। বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের মালিকানাধীন SpaceX-এর এই উদ্যোগটি গ্রহব্যাপী উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

সাইবার বুলিং হলো ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা। হয়রানি করা বা হুমকি দেওয়া। এটি সাধারণত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ, গেমিং প্ল্যাটফর্ম এবং ই-মেইলের মাধ্যমে ঘটে থাকে।

ঈদ মানেই নতুন কিছু কেনাকাটার আনন্দ। অনেকের ঈদের কেনাকাটার তালিকায় স্মার্টফোন কেনা অন্যতম। বিশেষ করে ঈদে বিভিন্ন ব্র্যান্ড আকর্ষণীয় অফার, ডিসকাউন্ট এবং EMI সুবিধা দেয়। যা ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়ায়। তবে ঈদের বাজেটে স্মার্টফোন কেনার সময় সঠিক ডিভাইস নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশে এআই প্রযুক্তির উন্নয়নে বেশ কিছু বাধা রয়েছে, যা দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।

প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাইবার অপরাধের হারও বাড়ছে। হ্যাকিং, তথ্য চুরি, ফিশিং আক্রমণ ইত্যাদির মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি একটি কার্যকর সমাধান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি শরীরের অনন্য বৈশিষ্ট্য।

রোবোটিকস প্রযুক্তি আধুনিক বিশ্বের অন্যতম চমকপ্রদ উদ্ভাবন। এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে। পাশাপাশি শিল্প, চিকিৎসা, কৃষি, প্রতিরক্ষা ও গৃহস্থালি কাজেও বিপ্লব ঘটাচ্ছে। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, রোবট এক দিন মানুষের জায়গা কতটুকু দখল করে নেবে? আসুন, বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করি।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেনের ধারণাও বদলাচ্ছে। ক্রিপ্টোকারেন্সি যাকে ডিজিটাল মুদ্রা বা ভার্চুয়াল মুদ্রা বলা হয়, সেটি অর্থনৈতিক বিশ্বে এক নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। চলুন বিস্তারিত জানা যাক, ক্রিপ্টোকারেন্সি কীভাবে কাজ করে এবং এর সুবিধা ও ঝুঁকি সম্পর্কে।

ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার বিজ্ঞানীরা। তাদের গবেষণায় উঠে এসেছে, ক্যানসার কোষকে ধ্বংস না করেও আবার সুস্থ কোষে রূপান্তর করা সম্ভব। এটি প্রচলিত ক্যানসার চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে, যেখানে অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপির মাধ্যমে ক্যানসার কোষ ধ্বংস করা হয়

বর্তমান ডিজিটাল যুগে মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট অন্যতম আকর্ষণীয় এবং লাভজনক একটি ক্ষেত্র। স্মার্টফোনের ব্যাপক ব্যবহার এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অ্যাপ্লিকেশনের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। আপনি যদি শূন্য থেকে শুরু করে সফল মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপার হতে চান, তাহলে নিচের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।