এহতেশামুল হক শাওন, খুলনা

বায়ান্নর ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় গুলিবর্ষণে হতাহতের ঘটনার দুইদিন পরে খুলনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীরা। তাদের সংগঠিত করা আর মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্বভার কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন বেগম মাজেদা আলী। এ অপরাধে তাকে কয়েকদিন হোস্টেল ছেড়ে পালিয়েও থাকতে হয়েছিল।

প্রচারের শুরুর দিকে লড়াইটা ভারসাম্যহীন মনে হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগিয়েছেন লবি। মূলত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমঝোতা এবং হিন্দু ভোটারদের কাছে টানতে পারাকে সফলতা হিসেবে দেখছেন তার অনুসারীরা।

দুই হেভিওয়েটের লড়াইয়ে হাই ভোল্টেজ নির্বাচন হচ্ছে খুলনা-৫ আসনে। এ আসনের সাবেক এমপি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী। বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দি আলী আসগার লবি।

আসন্ন সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম খুলনার রাজনীতির অঙ্গন। ছয়টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, জোট ও স্বতন্ত্র হিসেবে ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মাঠের জরিপ বলছে, সব কটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের।

আসন্ন সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম খুলনার রাজনীতির অঙ্গন। ৬টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, জোট ও স্বতন্ত্র হিসেবে ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মাঠের জরিপ বলছে, সব কটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের। সাবেক তিন এমপি ছা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরব দক্ষিণের জনপদ খুলনার উত্তাপ তুঙ্গে। তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই জেলার ছয়টি আসনে মাঠ দখলে নিতে তৎপর ছিলেন মূলত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। অন্য কোনো দল তেমন শক্তি নিয়ে মাঠে নামেনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বেশ আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। তারা মাঠও চষে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি ভোটের পরিবেশ পর্যালোচনা করছে দলটি। এর ভিত্তিতে প্রার্থী পরিবর্তনের ঘোষণাও দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে কৃষ্ণ নন্দী নামে সনাতন ধর্মাবলম্বী এক নেতার হাতে দাঁ

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে খুলনায় বিশাল জমায়েত ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে বিএনপি। মহানগর ও জেলা বিএনপির এই যৌথ কর্মসূচিতে ছিলেন না নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি তার অনুসারী নেতাকর্মীদের নিয়ে সীমিত পরিসরে আলোচনা ও দোয়া করেছেন। তবে, মতভেদ ও দূরত্ব ঘুচিয়ে এখনো সবাই এক মঞ্চে না এলেও অচিরেই এ সংকট

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আওয়ামী আমলে দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ।

তিন হাজারের বেশি গ্রাহকের সঞ্চিত প্রায় ২০ কোটি টাকা পরিশোধ না করেই ভারতে পালিয়েছেন খুলনার ডুমুরিয়ার হাজিডাঙ্গা আদর্শ গ্রাম উন্নয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি রঞ্জন কুমার মণ্ডল।

খুলনা সিটি করপোরেশনের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে গত সোমবার খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির চাল ও আটা বিতরণের দায়িত্বে ছিলেন জেলা খাদ্য অফিসের উপপরিদর্শক আব্দুল হালিম।

হাসিনার শাসনামলে দোর্দণ্ড দাপট দেখানো নেতারা গা-ঢাকা দিয়েছেন। কিছু নেতা বিদেশে পাড়ি দিলেও অধিকাংশই রয়েছেন দেশে। তাদের অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। মাঝেমধ্যেই ভিডিও বার্তা বা স্ট্যাটাসে উজ্জীবিত করছেন কর্মীদের।

খুলনার কেশবচন্দ্র সংস্কৃত কলেজের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন ইসকনের একটি অংশ। কলেজ প্রতিষ্ঠাতার দলিলে উল্লিখিত শর্ত লঙ্ঘন করে মন্দিরের সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহার ক্ষুব্ধ করছে কর্তৃপক্ষসহ শিক্ষার্থীদের।

শতাব্দীর সাক্ষী দক্ষিণবঙ্গের সরকারি বিএল কলেজ। শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে ভূমিকা রেখে চলছে এ বিদ্যাপীঠ। জাতির সংকটের মুহূর্তে এই বিদ্যাঙ্গনের শিক্ষার্থীরা অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো জ্বলে উঠতে দ্বিধা করেননি।

খুলনার আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় এখনো ফ্যাসিবাদের দোসরমুক্ত হয়নি। অতি লাভজনক কারবার হিসেবে পরিচিত ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) নিয়ন্ত্রণ করছে আওয়ামী ঠিকাদাররা। আগের মতোই প্রতি পয়েন্টে বরাদ্দ চাল ও আটার সামান্য অংশ বিক্রি করে বাকি অংশ চলে যাচ্ছে কালোবাজারে। অব্যবস্থাপনা, ঘুস, দুর্নীতি আর

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সশস্ত্র বিরোধিতার কারণে খুলনায় দাফন করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে পিরোজপুরে কবর দেওয়া হয়। ফলে ১৪ আগস্ট এলেই খুলনার সাঈদীভক্তরা বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েন।

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) এলাকায় বড় বড় বিলবোর্ডগুলো এক সময় সারা বছর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের ব্যানারে দখল হয়ে থাকত। এর বাইরে যত্রতত্র প্যানা ফেস্টুন টানিয়ে নগরীর সৌন্দর্য নষ্ট করার পাশাপাশি নোংরা হতো পরিবেশ।

জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, দলের প্রার্থীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সমমনা ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে জোটের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত আসেনি। মূলত তপশিল ঘোষণার আগে চূড়ান্ত কিছু বলা যাবে না।

জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, দলের প্রার্থীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সমমনা ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে জোটের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত আসেনি। মূলত তপশিল ঘোষণার আগে চূড়ান্ত কিছু বলা যাবে না।

সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত নৌপথে যান চলাচল দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে ভারতীয় নৌযানের বেপরোয়া চলাচলের কারণে বিপর্যস্ত সুন্দরবন। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণা রিপোর্টে উঠে এসেছে আশঙ্কার নানা দিক। এ পথে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে আশু ব্যবস্থা নিতে সুন্দরবন বিভাগ এ

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ কাগজকল খুলনার নিউজপ্রিন্ট মিলের পরিত্যক্ত যন্ত্রাংশ ও মালামাল পানির দরে কিনে নিয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১০ হাজার টাকা দরে ১৭টি শিডিউল বিক্রি হলেও জমা পড়ে মাত্র একটি।

চরা নদী খননের নামে তুঘলকি কারবার চলছে সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনার দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জে। খাল বাঁচানোর নামে ইতোমধ্যে তিন শতাধিক গাছ কেটে সাবাড় করেছে ঠিকাদার। এ ছাড়া খালের এক পাড়ের পাকা রাস্তার অর্ধেক, অপর পাড়ের ইট সোলিং রাস্তার পুরোটাই বন্ধ করে ফেলেছে মাটি তুলে।

সুন্দরবনে অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় পর্যটকদের নতুন গন্তব্য ‘শেখেরটেক’। এখানে বাঘের আনাগোনা সর্বাধিক। পর্যটকরা প্রায়ই দেখা পান বাঘের। গা ছমছম করা এই অনুভূতি নিতে তাই অনেকেই দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে আসছেন ‘বাঘের বাড়ি’ খ্যাত এই এলাকায়।

চোখ বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন স্বজনরা। ছুটেছিলেন এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে। ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সাহায্যার্থে গঠিত মেডিকেল কমিটির কাছে ধর্না দিয়েছেন। দ্রুততম সময়ে অপারেশন করালে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেতেন তিনি।

২০২১ সালে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ভেনামির চাষ শুরু হয়। খুলনার পাইকগাছার লোনাপানি কেন্দ্রের কয়েকটি পুকুরে যশোরের একটি বেসকারি প্রতিষ্ঠান ভেনামি চাষ করে। পরপর দুই বছর মাত্র তিন মাসে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করায় ২০২৩ সাল থেকে সরকার বাণিজ্যিক চাষের অনুমোদন দেয়।

ফ্যাসিবাদবিরোধী পক্ষগুলোর সমন্বয়হীনতা, অর্থের বিনিময়ে দোসরদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করা এবং পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এর জন্য দায়ী বলে মনে করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটি খুলনার প্রতিনিধি আহম্মদ হামীম রাহাত।