কাজী গোলাম কিবরিয়া, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবলের তীব্র সংকটের কারণে চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। চা অধ্যুষিত এই অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক চা-শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে ভিড় করলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও সহায়ক কর্মী না থাকায় তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিসিক শিল্পনগরী দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার ছয় বছর পরও সেখানে চালু হয়নি একটি শিল্পকারখানাও। অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পুরো এলাকা এখন জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি চুরি হয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও যন্ত্

উপজেলার উত্তরসুর এলাকায় প্রায় ২০ একর জমির ওপর ২০১২ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০১৯ সালে শেষ হয়। শিল্পায়নের লক্ষ্যে গড়ে ওঠা এই শিল্পনগরীতে ১২২টি প্লট, প্রশাসনিক ভবন, পাম্প হাউস, আবাসিক ভবন, ডাম্পিং ইয়ার্ড ও পুকুরসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। পরিকল্পনায় ছিল মসজিদ নির্মাণের বিষয়টিও।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের উপপরিচালক, পুলিশ, উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুলিশের সমন্বয়ে গত বুধবার সকালে বাজার মনিটরিং করা হয়েছে। বাজার মনিটরিংয়ে আমরা খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের সতর্ক করেছি।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ এলাকার চা শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে না। মজুরি বৃদ্ধি, ভূমির অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের প্রত্যাশা করছেন তারা।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ৪ নং সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের লংলিয়াছড়া এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের ধারা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকজন বালু ব্যবসায়ী ও ডায়না ট্রাক ড্রাইভারদের সহযোগিতায় প্রতিদিন নদী ও ছড়ার তলদেশ থেকে শত শত ঘনফুট বালু তুলে নেওয়া হচ্ছে।