খন্দকার হাসনাত করিম পিন্টু

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এই ঐতিহাসিক সনদ বাস্তবায়নে চেষ্টা করে যাচ্ছে। হয়তো আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে দেশের সফল অভিভাবক নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসও। কিন্তু রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ‘এস্টাবলিশমেন্টে’ চেপে বসে থাকা ভারতীয়, আওয়ামী, কম্যুনিস্ট ও বাম গোষ্ঠী এতটাই তৎপর এবং তাদের অপকর্ম এতই সীমাহীন যে পরিবর্তনকে

আর্যাবর্তের ব্রাহ্মণ্যবাদী হানাদাররা একদিন শান্তির দ্বীপ লঙ্কাপুরায় (শ্রীলঙ্কা) ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। লঙ্কাধিপতি রাবণকে নাম দিয়েছিল রাক্ষস—‘রাক্ষসরাজ রাবণ’। সেই ধ্বংসযজ্ঞের কাছে চেঙ্গিস-হালাকুদের পরদেশ দখলের গণহত্যা ও নিপীড়ন কিছুই নয়। লঙ্কাবাসীদের সেই আর্য হত্যাযজ্ঞেরই যেন বদলা হিসেবে এলো কমরেড অনূঢ়া