
সেতু আছে রাস্তা নেই, সাঁকো দিয়ে হাজারো মানুষের পারাপার
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের টেংরাখালী, পার্শ্বেখালী, মিরগাং, কালিঞ্চী ও ঠাকুরঘেরী গ্রামের হাজারো মানুষকে এখনো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে খাল পারাপার করতে হচ্ছে।

জিএম মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের টেংরাখালী, পার্শ্বেখালী, মিরগাং, কালিঞ্চী ও ঠাকুরঘেরী গ্রামের হাজারো মানুষকে এখনো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে খাল পারাপার করতে হচ্ছে।

১৭ বছর পেরিয়ে গেছে। তবুও ২০০৯ সালের ২৫ মের সেই বিভীষিকাময় দিনটির কথা ভুলতে পারেনি সাতক্ষীরার উপকূলের মানুষ। ঘূর্ণিঝড় আইলার তাণ্ডবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল মুহূর্তেই পরিণত হয়েছিল ধ্বংসস্তূপে। লোনাপানির ভয়াল জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছিল ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, মাছের ঘের আর হাজারো মানুষের স্বপ্ন।

গত দেড় বছরে একের পর এক অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও সশস্ত্র দস্যু তৎপরতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে সুন্দরবন ও এর উপকূলীয় অঞ্চল। সাতক্ষীরার শ্যামনগর, খুলনার কয়রা এবং আশপাশের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ঘিরে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে দস্যু আতঙ্ক। একসময় কঠোর অভিযান ও যৌথবাহিনীর টানা তৎপরতায় যে দস্যুমুক্তি

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে নিয়মিত যৌথ অভিযান চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পরিচালিত ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় গত দেড় বছরে ৬০ জনের বেশি দস্যু আটক এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্ট গার্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত