নাদিম নওশাদ

বর্তমান প্রযুক্তির যুগে কম্পিউটার আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানামুখী কাজে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। কম্পিউটারের কথা উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে দুটি ডিভাইস—ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ। এ দুটিই এখন জীবনের অপরিহার্য অংশ। তবে ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার কারণে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন—কোনটি বেছে

বর্তমান যুগে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। প্রযুক্তির ছোঁয়া যেমন শিক্ষা, গবেষণা, ব্যবসা কিংবা বিনোদন—সবক্ষেত্রেই পৌঁছেছে, তার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে এআইয়ের ব্যবহার। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি সত্যিই জানি এআই থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে কী করতে হয়?

বর্তমানে প্রযুক্তির অগ্রগতি দ্রুতগতিতে হচ্ছে। প্রতিনিয়তই আমাদের সামনে আসছে চোখ ধাঁধানো সব প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এসব প্রযুক্তিকে নিয়ে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়।

আজকের শিক্ষাব্যবস্থায় কম্পিউটার শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্কুলের প্রজেক্ট হোক বা বাসায় হোমওয়ার্ক, ছবি আঁকা বা গেমস খেলা, এমনকি বিনোদন সবকিছুতেই কম্পিউটার যেন এক বিশ্বস্ত সহকারী। তবে আমরা অনেকেই জানি না, এই যন্ত্রটি কীভাবে কাজ করে বা কেন এটি এত উপকারী।

অনেক বাসায় এখনো অনেক পুরোনো রাউটার ব্যবহার করা হয়। যেহেতু রাউটার ঠিকঠাক মতোই চলছে, সেহেতু এটি পরিবর্তন করার প্রয়োজনীয়তা অনেকেই বোধ করেন না। তবে এসব রাউটারে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলো অনেক পুরোনো হয়ে থাকে। ফলে তাতে নিরাপত্তার অনেক ঝুঁকি থাকতে পারে।

এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরির প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজতর করা সম্ভব হচ্ছে। এআইকে কিছু নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমেই তৈরি করে ফেলা সম্ভব হচ্ছে ভালো মানের ভিডিও। ফলে সময় ও পরিশ্রম কম হচ্ছে।

ভোরবেলা গ্রামবাংলার আকাশে যখন পাখিরা গান গায়, তখনো কেউ কেউ হাতে মুঠোফোন ধরে বসে থাকে। তেমনই একজন রুপা, খুলনার এক গৃহবধূ। তার দিন শুরু হয় রান্নাঘরের হাঁড়িপাতিলের শব্দ দিয়ে। কিন্তু যখন একটু অবসর মেলে, তখন তিনি ফেসবুক খুলে দেখেন, নতুন কোন শাড়ি এসেছে অনলাইন দোকানে।

বর্তমান বিশ্বে ম্যালওয়্যারের আক্রমণ ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি ফ্যাটবয়-প্যানেল নামক একটি নতুন ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে পড়ছে, যা আড়াই কোটিরও বেশি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে ম্যালওয়্যারটি।

ব্লকচেইন প্রযুক্তি সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তবে এর বাস্তবায়ন ও বিস্তারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোয় ব্লকচেইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। অধিকাংশ মানুষই মনে করে ব্লকচেইন টেকনোলজি মানেই ক্রিপ্টোকারেন্সি।

একজন ছাত্রের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন স্মার্টভাবে ক্লাস করা। সময়মতো অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়া। এ ছাড়া মাঝে মাঝে রিসার্চ বা হালকা বিনোদন উপভোগ করা। তাই তাদের জন্য পিসি হওয়া উচিত হালকা। সহজে বহনযোগ্য এবং ল্যাগবিহীন। সাধারণভাবে শিক্ষার্থীদের বেশি দামি ও ভারী পিসির প্রয়োজন নেই। মাঝারি মানের ল্যাপটপই যথেষ্ট।

বাংলাদেশে প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগার পর থেকেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে গেমিং ও ই-স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি। বর্তমানে গেমিং শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখছে।

ঈদ বাংলাদেশের মানুষের জীবনের এক বিশেষ আনন্দ ও উদযাপনের অনুষ্ঠান। বছরের এই দিনেই দেশের সব শ্রেণির মানুষ উৎসবে মেতে ওঠে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঈদের বিনোদনের ধরনেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তাও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। বিশেষ করে সাইবার আক্রমণে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার মাত্রাতিরিক্তভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এআইয়ের অপব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা আরো জটিল ও কার্যকর আক্রমণ চালাতে সক্ষম হবে, যা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য

স্মার্টফোনের পারফরম্যান্স ধীরগতির হয়ে যাওয়া বা দ্রুত ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়া খুব সাধারণ একটা সমস্যা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্মার্টফোনের পারফরম্যান্স অবনত হতে থাকে। তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে স্মার্টফোনের পারফরম্যান্স দীর্ঘ সময় ভালো রাখা সম্ভব।

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট এমন একটি প্রযুক্তি, যা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেটসেবা প্রদান করে। প্রচলিত ব্রডব্যান্ড সংযোগের পক্ষে যেখানে পৌঁছানো কঠিন, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেখানেও কাজ করতে পারে। এটি দূরবর্তী এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেটসেবা পৌঁছানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের সময় বিভিন্ন হেনস্তার শিকার হয়েও এবার ‘অভ্র কিবোর্ড’-এর অবদানের কারণে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মেহদী হাসান খান ও তার সহযোগী রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম এবং শাবাব মুস্তাফাকে ‘একুশে পদক’-এর জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

বিগত ৫০ বছরে কম্পিউটার আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আধিপত্য বিস্তার করছে। কিন্তু তারপরও অ্যালন টুরিং ও জন ভন নিউম্যানের শুরুর দিকের কম্পিউটার-সম্পর্কিত মৌলিক ধারণার বাইরে সাড়াজাগানো তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যায়নি।