মওদুদ আলমগীর পাভেল

আজ প্রায় ৫৫ বছর পরে ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ বা ২৬ মার্চের সেই ভয়াবহ রাতের প্রকৃত চিত্র নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা সহজ নয়। কারণ সে সময়ের দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা, শুধু রেডিওনির্ভর তথ্যের ভিত্তিতে যে বাংলাদেশ—সে সময়ের পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে যে নিদারুণ বিভীষিকার মধ্যে অন্ধকারের প্রতিটি ক্ষণ অতিক্রম

সারা দেশ গভীর ঘুমে নিমজ্জিত। শেষ রাতে চট্টগ্রামে সেদিন মুষল বৃষ্টি। ঘাতকরা তাদের দুষ্কর্ম সেরে তাড়াতাড়ি পালিয়েছে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে। প্রধান গেট আর বারান্দায় ছড়িয়ে আছে নিরাপত্তা প্রহরীদের অবিন্যস্ত মৃতদেহ।

কেউবা বিমানে পাকিস্তানের পথে, কেউবা মেহেরপুরের গন্তব্যে আর তরুণ নেতৃত্ব বুড়িগঙ্গার ওপারে মোস্তফা মহসিন মন্টুর বাসায় বেতারে মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা শুনছেন। অন্যদিকে সারা দেশে নিরস্ত্র মানুষের লাশের স্তূপ জমছে—দেশের সব প্রান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে।