রকিবুল হাসান, বকশীগঞ্জ (জামালপুর)

রকিবুল হাসান, বকশীগঞ্জ (জামালপুর)

পরিচিতি

রকিবুল হাসান, বকশীগঞ্জ (জামালপুর)

সাম্প্রতিক নিবন্ধসমূহ

নিবন্ধ
বকশীগঞ্জে আলুর বাজারে অস্থিরতা, লোকসানের আশঙ্কায় চাষিরাসারা দেশ
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বকশীগঞ্জে আলুর বাজারে অস্থিরতা, লোকসানের আশঙ্কায় চাষিরা

বাম্পার ফলনের আনন্দ এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার আলু চাষিদের জন্য। চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত পরিচর্যায় আলুর ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ বাড়লেও পাইকারি বাজারে আলুর দাম কম থাকায় অনেকেই মূলধন তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন

৩ মাস ধরে পাথর আমদানি বন্ধ, বেকার আট হাজার শ্রমিকসারা দেশ
৩১ জানুয়ারি ২০২৬

৩ মাস ধরে পাথর আমদানি বন্ধ, বেকার আট হাজার শ্রমিক

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার একমাত্র ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরে তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে পাথর আমদানি। এতে সরকার রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি কর্মহীন হয়ে পড়েছে বন্দরে কাজ করা প্রায় আট হাজার শ্রমিক। ফলে পেশাজীবী শ্রমিকরা তাদের পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

টিআর কাবিখা কাবিটার পাঁচ কোটি টাকার প্রকল্পে লুটপাটসারা দেশ
০৭ জানুয়ারি ২০২৬

টিআর কাবিখা কাবিটার পাঁচ কোটি টাকার প্রকল্পে লুটপাট

জামালপুরের বকশীগঞ্জে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে বরাদ্দকৃত প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বকশীগঞ্জ উপজেলায় এসব প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ১২ লাখ ১ হাজার ৭৯৮ টাকা প্রায়। তবে লোকদেখানো কিছু কাজ হলেও সিংহভাগ প্রকল্পে হয়েছে অনিয়ম ও লুটপাট।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, যেন দুর্নীতির আখড়াসারা দেশ
২২ নভেম্বর ২০২৫

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, যেন দুর্নীতির আখড়া

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে ডুবতে বসেছে ভাটি খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়। বিশেষ করে শিক্ষকের অনুপস্থিতি ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে বেরিয়ে আসতে থাকে থলের বিড়াল।

চিকিৎসক ও জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবাসারা দেশ
০৩ নভেম্বর ২০২৫

চিকিৎসক ও জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবা

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালের কার্যক্রম। এটি নামমাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও মূলত ৩১ শয্যার আদলে চলছে চিকিৎসাসেবা। নেই প্রয়োজনীয় জনবল, ক্ষোভ প্রকাশ করছে উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা গ্রহীতারা।