রফিকুল ইসলাম, লাখাই (হবিগঞ্জ)

বিএনপির প্রার্থী থেকে জিকে গউছ (ধানের শীষ), জামায়াতের কাজী মহসিন আহমদ (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল (খেজুর গাছ), জাতীয় পার্টির আব্দুল মুমিন চৌধুরী (লাঙল), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এসএম সরওয়ার (মোমবাতি), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাহীনুর রহমান (ছরি) সবাই দলীয়

এমন নির্বাচনি পরিবেশে মানুষ সত্যিই যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ধীরে ধীরে শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে উঠতে শুরু করেছে লিফলেট, হ্যান্ডবিল, প্রার্থীদের হাস্যোজ্জ্বল মুখের ফেস্টুন । রাস্তার মোড়ে মোড়ে মাইকের প্রচারণা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা রকম নির্বাচনি প্রচারণাও নজরে পড়ছে।

হবিগঞ্জ-৩ আসনে (সদর-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, হবিগঞ্জ সদর ও লাখাই উপজেলায় দুই দলেরই শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি রয়েছে।

জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলনসহ অন্যান্য দল থেকে প্রার্থী হলেও তেমন কোনো প্রচার–প্রচারণা বা সভা–সমাবেশ হতে দেখা যায়নি। এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, হবিগঞ্জ সদর-৩ আসনের লাখাই উপজেলায় দুই দলেরই শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি র

হবিগঞ্জের সদর উপজেলা ও লাখাই উপজেলার কানাই নদীর পূর্ব পাড় ঘেঁষে প্রায় দুই একর জায়গাজুড়ে শতবছর ধরে ডুমড়া গ্রামের হাওরের বুকে দাঁড়িয়ে আছে বিশালাকৃতির একটি বটগাছ। রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ে শতবছর ধরে পথিক, কৃষক, রাখাল ও জেলেদের শীতল আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে গাছটি। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় গাছটি ঘিরে অনেক সময় পূজা