রহিমা আক্তার মৌ

মাসখানেক আগের কথা। সন্ধ্যার পর আম্মু রান্নাঘরে কাজ করছেন। হঠাৎ আমাকে ডাকেন। আম্মুর ডাকের ধরন শুনেই বুঝে যাই এই ডাকটা কীসের জন্য। টেবিল ছেড়ে দ্রুত উঠতে গিয়ে দুই জায়গায় হোঁচট খাই, তবু না থেমে রান্নাঘরে গিয়ে হাজির হই। কারণ আম্মুর ডাকটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সংগ্রাম, ত্যাগ আর জীবনের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। আমাদের দেশের স্বাধীনতা এসেছে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। এই স্বাধীনতা অর্জনে নারী-পুরুষ উভয়েরই ত্যাগ ও অবদান অনস্বীকার্য।

পারিবারিক নাম ববি হলেও লেখার জগতে তাকে ঈপ্সিতা চৌধুরী নামে চেনে সবাই। সেই ঈপ্সিতাকে এখন সবাই ‘মানবতার ফেরিওয়ালি’ বলে ডাকে। তিনি জড়িত আছেন শিক্ষকতা পেশায়। ২০০৮ সাল থেকে দৈনিক ইত্তেফাকের ‘ঠাট্টা’, দৈনিক আমার দেশ-এর ‘ভিমরুল’-সহ বিভিন্ন দৈনিকে নিয়মিত লিখতেন। দৈনিক পত্রিকার পাশাপাশি বিভিন্ন লিটল ম্যাগে

চলছে আগস্ট মাস, জুলাই বিদায় নিলেও ২০২৪ সালের হিসাবে জুলাই শেষ হয়েছে মাত্র দুদিন আগে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নারীর বলিষ্ঠ অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ঘরে-বাইরে, আন্দোলন-সংগ্রামে আমাদের নারীরা সবসময় অগ্রভাগেই ছিলেন। জুলাই আন্দোলনের শুরু থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত সরাসরি অংশ নেওয়া

ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে নারীর অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। আমরা যারা ’৫২ কিংবা ’৭১ দেখিনি, তারা বুঝতে পারিনি নারীর এই অবদান। ’২৪-এর আন্দোলন আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। তখনকার ভিডিও ফুটেজের দিকে তাকালে একটা শান্তি অনুভব করি। ঘরে-বাইরে ও আন্দোলন-সংগ্রামে আমাদের নারীরা।

ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধে নারীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ থাকলেও প্রমাণপত্রে পুরুষদের তুলনায় নারীদের নিয়ে কাজ খুব কম হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নেন অনেক নারী। আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করা সাবরিনা শশীকে নিয়ে আজকের লেখা।