Hossain Raihan, Panchagarh

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন বলেন, জেলার সব প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করতে আমরা সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। সমতল ভূমি কেটে অথবা অন্য কোনো উপায়ে আবাদি জমি যেন অনাবাদি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের কড়া নজরদারি রয়েছে।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া টিউলিপ ফুলের বাগানে এখন বইছে বসন্তের আমেজ। দেশ-বিদেশের নানা প্রান্তের লোকজন বাহারি রঙের এই ফুল দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। কেউ সেলফি তুলছেন, কেউ ফুল কিনছেন, কেউবা ফুলসহ চারা। পর্যটকদের কাছে ভিনদেশি টিউলিপের বাগান এ অঞ্চল যেন একখণ্ড ‘নেদারল্যান্ডস’।

ভারতের একতরফা বাঁধ নির্মাণের কারনে পঞ্চগড়ের ছোটবড় ৩৪টি সীমান্ত নদনদী তার গতি প্রকৃতি হারিয়ে মরা খালে পরিনত হয়েছে। যার প্রভাব এসে পড়েছে জীব বৈচিত্রে। নেমে গেছে পানির স্তর। কৃষি ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়।

বিগত কয়েক বছর ধরে বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় এবারও ইরি-বোরো ধান আবাদে ঝুঁকছে পঞ্চগড়ের কৃষকরা। দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে এখানে বেশ দেরিতে বোরো ধানের চারা জমিতে রোপণ করা হয়।

শীত উপেক্ষা করে করতোয়া নদীতে নুড়িপাথর কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন পঞ্চগড়ের হাজারো নারী শ্রমিক। এখানে জীবিকা নির্বাহের অন্য কোনো উপায় না থাকায় পাথর কুড়িয়েই চলে তাদের জীবন ও সংসার।

তীব্র শীতে পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন এলাকায় গবাদি পশু নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শত শত পশু আক্রান্ত হয়েছে। গত দুই সপ্তাহে মারা গেছে ৪০টি পশু । নানা রোগে আক্রান্ত পশু নিয়ে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগে চিকিৎসার জন্য এলেও সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ না পেয়ে বিপাকে পড়েছে।

আজ সকাল ৬টায় তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রির ঘরে। হিমালয় থেকে ধেয়ে আসা ঠান্ডা বাতাস এখনো বইতে শুরু না করলেও ভিন্নমাত্রায় শুরু হয়েছে শীত। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে এলেও দিনের প্রখর রোদে তাপমাত্রা বাড়ছে।

সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই ঢল নামে বিভিন্ন বয়সের মানুষের। রূপবতী শুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘার লাবণ্য উপভোগ করতে হাজারো পর্যটক ছুটে আসেন হিমালয় কন্যা তেঁতুলিয়ায়। জাতীয় মহাসড়কজুড়ে বাস, মাইক্রোবাস, মোটরবাইকসহ নানারকম যানবাহনের গন্তব্য ছিল তেঁতুলিয়া। বিকেল থেকে ভোররাত পর্যন্ত শত শত গাড়ির বহরে

তীব্র সার সংকটের সঙ্গে চা-পাতায় নতুন মড়কে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন পঞ্চগড়ের সমতলের চা-চাষিরা। বেড়েছে উৎপাদন খরচও। গত মৌসুমের তুলনায় দাম ভালো মিললেও তার বড় অংশই চলে যাচ্ছে উৎপাদন খরচে। নানা সংকটের মধ্যেও এবার রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদনের আশা চা বোর্ডের। চায়ের উৎপাদন দুই কোটি কেজি ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন

জেলায় তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো বিনোদনকেন্দ্র না থাকায় সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ২৫ একর সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এই ইকো পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় জেলা প্রশাসন। প্রায় ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠা এই পার্কে রয়েছে ফুল ও ফলের গাছ, কৃত্রিম লেক, পানির ফোয়ারা, হাঁটার পথ ও...