তারেক রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বগুড়া বাইতুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে প্রথমবারের মতো জুম্মার নামাজ আদায় করলেন তিনি। এ সময় তিনি মুসুল্লিদের প্রতি নিজের আবেগের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আল্লাহ একমাত্র সব কিছু দানকারী। আপনারা বগুড়াবাসী আমাকে আমার পরিবারকে, দলকে ভালোবাসেন। তার প্রমাণ আপনারা দিয়েছেন, আমার জন্য দোয়া করবেন। তিনি জাতির কল্যাণে আগামী দিনে কাজ করে দেশকে সাজিয়ে দেব বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দুপুর পৌনে ১টায় বগুড়া স্টেশন রোডে বগুড়া বাইতুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে নামাজ পড়তে আসেন। জুম্মার ইমামতি করেন মুফতি জোবায়ের হোসেন। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সাইফুল ইসলামসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বিগত ২০০৪ সালে তারেক রহমানের উদ্যোগে বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এরপর ক্ষমতার পটভূমি পরিবর্তনে তিনি দেশে ফিরতে পারেননি। এবার এই প্রথমবারের মতো তিনি মসজিদের জুম্মার নামাজ আদায় করলেন।
এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের হোটেল নাজ গার্ডেনে বিএনপি চেয়ারপারসনের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের উদ্যোগে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
সিএসএফ গ্লোবালের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে ডা. জোবাইদা রহমান ও তারেক রহমান উপস্থিত শিশু-কিশোর ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১০ শিশুকে হুইলচেয়ার উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে তারেক রহমান শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং শিশুদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর গান উপভোগ করেন। তার এই আন্তরিকতায় অভিভাবক ও উপস্থিত অতিথিরা আবেগাপ্লু হয়ে পড়েন।
বগুড়ায় প্রথমবারের মতো বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. জোবাইদা রহমান আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে সব শ্রেণির মানুষ সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারবে এবং প্রত্যেকে তার ন্যায্য অধিকার পাবে।”
অনুষ্ঠান শেষে তিনি জ্ম্মার নামজ পড়ে পরে তিনি মহাস্থানগড়ে শাহ বলখী মাহী সাওয়ার (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে রওনা হয়। বগুড়া থেকে ১০ কিমি দূরে মহাস্থান যাওয়ার পথে রাস্তার দুই ধারে হাজার হাজার নারী-পুরুষ তাকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। মাটিডালি মোড়, বাঘোপাড়া, মহাস্থানসহ ১০টি পয়েন্টে তারেক রহমান হাত নেড়ে নেড়ে জনসংযোগ করেন। এরপর তিনি রংপুরের উদ্দেশ্যে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতে যাত্রা করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

