নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ফজলুর রহিম কাজলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর বড়কাশিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিরামপুর গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহারের পারিবারিক কবরস্থানের একটি গাছ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ফজলুর রহিম কাজল (৫৫) সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। তিনি দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে কর্মস্থল ধর্মপাশার নওধার সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টে যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়ে তিনি নিখোঁজ হন। ওই দিন সকাল থেকেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। নিখোঁজের পর অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলেও পরিবারের দাবি। এ ঘটনায় নিখোঁজের দিনই অর্থাৎ ৮ অক্টোবর রাতে তার ছেলে মারুফ হাসান রনক ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
শুক্রবার সকালে বিরামপুর গ্রামের ওই কবরস্থানের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে লাশ শনাক্ত করেন।
মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক জসিম উদ্দীন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় তাদের সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে।
এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

