আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

সাতক্ষীরার চার আসনে ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

উপজেলা প্রতিনিধি, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)

সাতক্ষীরার চার আসনে ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
ছবি: আমার দেশ

সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির চারজন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চারজন এবং একজন করে বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজিপি)র প্রার্থী।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি তার আসনের মোট বৈধ ভোটের অষ্টমাংশ, অর্থাৎ সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট অর্জনে ব্যর্থ হন, তাহলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবে সাতক্ষীরার চার আসনে প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় ১১ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

সাতক্ষীরা-১ (তালা–কলারোয়া)

এ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৬৯ হাচার ৯৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৪৬ হাজার ১৩৭ ভোট।

জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান ২ হাচার ৫৪৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল করিম ২ হাজার ৭১ ভোট এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ ইয়ারুল ইসলাম ৭১৫ ভোট পান।

সাতক্ষীরা-২ (সদর–দেবহাটা)

মোট বৈধ ভোট ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৮২৩টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৪৮ হাজার ৭২৮ ভোট।

জাতীয় পার্টির মো. আশরাফুজ্জামান ৪ হাজার ২৭৮ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি রবিউল ইসলাম ১ হাজার ৯৭৬ ভোট এবং বাংলাদেশ জাসদের মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী ৩১৭ ভোট পান।

সাতক্ষীরা-৩ (কালীগঞ্জ–আশাশুনি)

এ আসনে বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার ২৩৩টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৪৩ হাজার ৭৭৯ ভোট।

জাতীয় পার্টির মো. আলিপ হোসেন ৭২২ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মো. ওয়েজ কুরনী ২ হাজার ৪৯৭ ভোট এবং বিএমজিপির রুবেল গাইন ৫৮৩ ভোট পান।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর)

মোট বৈধ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৮৩টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৪ হাজার ৭৯৮ ভোট।

জাতীয় পার্টির মো. আব্দুর রশিদ পান ১ হাজার ১৪২ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলনের এস এম মোস্তফা আল মামুন পান ৪ হাজার ৯০২ ভোট।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, চারটি আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বিজয়ীরা হলেন গাজী নজরুল ইসলাম, মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, হাফেজ মুহা. রবিউল বাশার ও মো. ইজ্জত উল্লাহ।

এ ছাড়া নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আব্দুর রউফ, কাজী আলাউদ্দিন ও মো. মনিরুজ্জামান। স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন শহিদুল আলম।

জেলার চারটি আসনে মোট ভোটার ছিল ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৬টি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন