সাঁথিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু

উপজেলা প্রতিনিধি, সাঁথিয়া (পাবনা)

সাঁথিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু
সাপের কামড়ে নিহত রুহান মোল্লা। ছবি: আমার দেশ

পাবনার সাঁথিয়ায় মাছ ধরতে গিয়ে বিষধর সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তিনি উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নেরে চরকাবারি কোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে রুহান মোল্লা (২৬)। পরিবারের অভিযোগ, সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়ার পরে কোনো চিকিৎসা না দিয়ে চিকিৎসক কাওসার তাকে পাবনা মেডিকেলে হস্তান্তর করেন।

সাঁথিয়া হাসপাতালে সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) থাকার পরও রুহানের শরীরে তা প্রয়োগ না করেই পাবনায় হস্তান্তর করায় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ৯টার দিকে রুহান টেঁটা নিয়ে মাছ শিকারের জন্য চরকাবারি কোলা গ্রামের মাঠে বের হয়। ইতিমধ্যে পোটল ক্ষেত থেকে তাকে বিষধর সাপ কামড় দেয়। এ ঘটনায় রুহান বাড়িতে এসে সাপের কামড়ের কথা পরিবারের সদস্যদের কাছে বললে তারা তাকে প্রথমে স্থানীয় ওঝাঁর কাছে নিয়ে যায়।

সেখানে ওঝাঁ রুহানকে কবিরাজি চিকিৎসা প্রদান করেন। এতে তিনি আরও অসুস্থ হলে রুহানকে শুক্রবার রাত তিনটার দিকে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাওসার পেসার মেপে সঙ্গে সঙ্গে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করেন। পাবনা যাওয়ার পথে মাধপুরেই সাপের বিষে কাতর হয়ে রুহান মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, সাঁথিয়া হাসপাতালে সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) থাকার পরও তা রোগীর শরীরে প্রয়োগ না করায় তিনি মারা যান।

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক কাওসার আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের প্রতিষেধক প্রয়োগ করেননি। সাপের অ্যান্টিভেনম সময় মতো প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

সাঁথিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন জানান, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোনো নমুনা পায়নি। তিনি ধারণা করেছিলেন, রোগী ইয়াবা সেবন করেছিল। আব্দুল বাতেন দাবি করেন, সাঁথিয়া হাসপাতালে সাপের অ্যান্টিভেনম এখনও রয়েছে।

এমএইচ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন