জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা-২০২৬-এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে মেধার কোনো বিকল্প নেই।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, বিশ্বের যেসব দেশ উন্নতি করেছে, তারা শিক্ষা, গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনের পেছনে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। মেধাবী মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি এসব খাতে বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নের শক্ত ভিত্তি তৈরি করে।

শিক্ষার্থীদের শুধু নিজেদের সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার, বন্ধু ও সমাজের অন্যদেরও সঠিক পথে চলতে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি। মাদক থেকে দূরে থেকে জ্ঞান, শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখার জন্যও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।

বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে তরুণদের নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সিলেটে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা শিগগিরই সিলেট সফর করবেন বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণরা এআইসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেট অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক দিদার চৌধুরী।

এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াতসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন