শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। এই মামলায় ২৩৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে আরো ৪০০ থেকে ৫০০ জন।
ঘটনার দুই দিন পর গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় মামলাটি করেন।
শেরপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) আফসান আল আলম সাংবাদিকদের বলেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত আসামিদের নাম গোপন রাখা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহতের প্রতিবাদে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারী) বিকেলে জেলা জামায়াতের আয়োজনে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে (৩১ জানুয়ারি) শনিবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্টেডিয়ামে শহীদ রেজাউলের জন্য দোয়া দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন এবং উভয় পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। এখনো উভয় দলের অন্তত ১০-১২ জন কর্মী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।বৃহস্পতিবার রাতে শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঝিনাইগাতীর যুবদল নেতা আমজাদ হোসেনের অবস্থা সংকটাপন্ন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে ময়মনসিংহে চিকিৎসাধীন জামায়াত নেতা তাহেরুল ইসলামের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

