অর্থ আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে রেকর্ড পত্র তলব করে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠিও পঠিয়েছে দুদক।
তথ্যটি দৈনিক আমার দেশকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের অনুসন্ধ্যানকারী দলের নেতা সহকারী পরিচালক নওশাদ আলী।
তিনি জানান, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। তবে বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তার কর্ম ও ব্যক্তি জীবনের কিছু তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এরচেয়ে বেশি কিছু জানতে হলে জনসংযোগ শাখার মাধ্যমে জানতে হবে।
দুদক সূত্র জানায়, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ, মানিলন্ডারিং এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রাথমিকভাবে কর্ণফুলী নদীর ড্রেজিং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনুমোদনে অনিয়ম, আর্থিক বরাদ্দ, টেন্ডারে অনিয়ম, বিভিন্ন চুক্তির নথিসহ মনিরুজ্জামানের ব্যক্তিগত ও পরিবারিক নথিপত্র চাওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে সকল নথি দুদকে সরবরাহের জন্য বলা হয়েছে। দুদকের প্রধান কার্যালয় ঢাকা থেকে চিঠিটি ইস্যু করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বন্দর কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বন্দর সচিব ওমর ফারুককে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। বক্তব্য জানতে চেয়ে এসএমএস করেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

