কুমিল্লার তিতাস উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া মমিনকে মব সৃষ্টির আগেই অন্যত্র চলে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কুমিল্লা-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। তিনি বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক । ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেলিম ভূঁইয়া কুমিল্লা-২ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন ।
গত শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি উপজেলার মেসার্স মৃত্তিকা এন্টারপ্রাইজ সংলগ্ন মাঠে তিতাস উপজেলা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান তিনি এই কথা বলেন।
অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া অভিযোগ করে বলেন, ইউএনও তাদের সঙ্গে ‘বিমাতাসুলভ আচরণ’ করেছেন এবং বিরোধিতা করেছেন। এ ছাড়া নেতা-কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে এই উপজেলা প্রশাসন থেকে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা করেছেন বললে ভুল হবে না । তিতাস উপজেলার নির্বাহী অফিসার আমাদের সঙ্গে বিমাতাসুলভ আচরণ করেছেন । এভাবেই তিনি আমাদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ পেয়েছি ।’
’নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকে একদিনের জন্যও তিতাস ইউএনও সুমাইয়া মমিনের সঙ্গে আমি কথা বলিনি। জনগণের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা ব্যক্তির বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিতে হবে, তা আমি জানি। আমি আশা করি, তিনি দ্রুত উনার সম্মান থাকতে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যাবেন। কারণ, তিনি ভালো আচরণ জানেন না। আমি তাকে সতর্ক করে দিলাম, কেননা, যদি কোনো মব সৃষ্টি হয়, তার জন্য তিনিই দায়ী থাকবেন ।’
এ বিষয়ে কথা বলতে কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায় ।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওসমান গনি ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মহিউদ্দিন, তিতাস উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন সরকার প্রমুখ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

