আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

ওসমানীনগরে সরকারি গাছের মালিকানা নিয়ে উত্তেজনা

উপজেলা প্রতিনিধি, ওসমানীনগর (সিলেট)

ওসমানীনগরে সরকারি গাছের মালিকানা নিয়ে উত্তেজনা

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের হলিমপুর বাজার-আরএইচডি-বুরুঙ্গা ইউপি-জামতলা-বোয়ালজুর বাজার (নারকিলা নদীর ব্রিজ থেকে হালিমপুর বাজার ও গাভুরটিকি নতুন মসজিদ থেকে গাভুরটিকি প্রাইমারি স্কুল ব্রিজ পর্যন্ত) সাদীপুর প্রান্তে ২ দশমিক ৮০০ কি.মি. এবং গোয়ালাবাজার প্রান্তে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে আছে অন্তত ৫ হাজার গাছ। এর মধ্যে শতাধিক গাছ মরে শুকিয়ে গেছে। আবার অনেক গাছ জমি ও সড়কে নুয়ে পড়েছে। যেকোনো মুহূর্তে অনেক গাছ ভেঙে পড়তে পারে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে দুই পক্ষের মালিকানা নিয়ে বিবাদ চলায় গাছগুলো কাটা যাচ্ছে না। গাছের মালিকানা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো সময় তাদের মধ্যে এসব গাছ নিয়ে সংঘর্ষ হতে পারে।

এই সড়কে একসময় এলজিইডির পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণের দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রে গাভুরটিকি গ্রামের মৃত আলফু মিয়ার পুত্র আব্দুল মছব্বির (মদরিস আলী) মনোনীত হলে ইউনিয়ন পরিষদ ৩০% লাভে নতুন ৩টি সড়কে বৃক্ষরোপণের অনুমোদন দেয়। বৃক্ষরোপণ করে লিজ গ্রহীতা মদরিস আলী ব্রিটেনে চলে যান। পরে বৃক্ষ পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা হলিমপুর গ্রামের মৃত জসিম উল্লার পুত্র ছালিক মিয়া একটি ভুয়া লিজ গ্রহণের কাগজ তৈরি করেন। তিনি নিজেকে লিজ গ্রহীতা দাবি করে আদালতে একাধিক মামলা দায়ের করেন। ছলিক মিয়ার মামলায় এলাকার কয়েকশ’ মানুষ আসামি হয়ে ফেরারি জীবন পার করছেন।

সম্প্রতি এই সড়কের গাছের একাধিক দাবিদার তৈরি হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। গাছ নিয়ে মারাত্মক সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে তারা সংশ্লিষ্টদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এলজিইডির সঙ্গে ইউপির চুক্তি অনুযায়ী যারা বৃক্ষরোপণের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, তারা পরবর্তী সময়ে শর্ত লঙ্ঘন করেছেন। এখন বিবদমান ৩টি সড়কের গাছ উপজেলা পরিষদের আওতায় রয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন