পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা করে আসছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত তদবিরের সুযোগ থাকবে না।
শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ছিলাদি এলাকায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “১৭ বছরের আওয়ামী লীগের ধারাবাহিকতায় কেউ যদি এখনো মাদকের ব্যবসা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি ওসিকে বলে দিয়েছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করবে। আমার বা আপনাদের তদবির করার কোনো সুযোগ থাকবে না। কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা হয়তো সাময়িকভাবে প্রভাবশালী, কিন্তু মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিন। না ছাড়লে কেউ যদি গর্তে পড়ে যায়, তখন তাকে উদ্ধার করার মতো কাউকে পাওয়া যাবে না।”
নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার নারীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিবারপ্রধান নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এ সহায়তার অর্থ দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি অনেক নারী সঞ্চয়ও করছেন।
তিনি আরও বলেন, “সরকারের এই সহযোগিতার উদ্দেশ্য হলো একজন মা যদি আর্থিকভাবে কিছুটা স্বাবলম্বী হন এবং সচেতনভাবে পরিবার পরিচালনা করতে পারেন, তাহলে তার সন্তানদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। একটি শিক্ষিত পরিবার থেকেই একটি শিক্ষিত জাতি গড়ে ওঠে। তাই এই সহায়তাকে আমরা ব্যয় নয়, ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ হিসেবে দেখছি।”
সভায় জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরান এবং দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

