চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে একটি প্রাইভেটকার ছিনতাইয়ের ঘটনা সম্প্রতি আমার দেশ পত্রিকায় ফলাও করে প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি প্রকাশের পর থানার পুলিশ ছিনতাই হওয়া গাড়ি উদ্ধারে তৎপর হয়ে ওঠে। দু’দিন ধরে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। ছিনতাইয়ের তিন দিন পর, শনিবার ১৪ জুন রাত ৩টায়, উপজেলার সোনাইছড়ি এলাকায় কে ওয়াই স্টিল মিলের পেছনে একটি পরিত্যক্ত গোডাউন থেকে ছিনতাই হওয়া (চট্টমেট্রো গ ১৩-১২৯৮ নম্বর) প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
তবে এ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে পুলিশ আটক করতে পারেনি। প্রাইভেটকার ছিনতাইয়ের ঘটনায় চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, বুধবার ১১ জুন রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার বার আউলিয়া রয়েল গেটের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে চারজন ছিনতাইকারী একটি প্রাইভেটকার ছিনতাই করে নিয়ে যায়। যাত্রীবেশী ওই চার ছিনতাইকারী মিরসরাই থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার জন্য প্রাইভেটকারটি ভাড়া করেছিল। তারা সীতাকুণ্ড উপজেলার বার আউলিয়া রয়েল গেইট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ড্রাইভার রাজিব হোসেনের গলায় ছুরি ধরে এবং মুখে গামছা পেছিয়ে দিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে চালককে মহাসড়কে ফেলে দিয়ে প্রাইভেটকারটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এদিকে, প্রাইভেটকার ছিনতাইয়ের ঘটনাটি আমার দেশ পত্রিকায় ছবিসহ প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে তৎপরতা বাড়ে এবং তারা তাৎক্ষণিকভাবে ছিনতাই হওয়া প্রাইভেটকার উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
প্রাইভেটকার উদ্ধার প্রসঙ্গে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সীতাকুণ্ড থানার এসআই মো. ইদ্রিস আমার দেশকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ জুন রাত ৩টায় সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কে ওয়াই স্টিল মিলের পেছনে একটি পরিত্যক্ত গোডাউন থেকে ছিনতাই হওয়া গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গত তিন দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাইভেটকার উদ্ধার অভিযানে সীতাকুণ্ড সার্কেল এডিশনাল এসপি লাবিব আব্দুল্লাহ, সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর এবং সেকেন্ড অফিসার মো. জাফর অংশগ্রহণ করেছেন। গাড়ির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আদালতের মাধ্যমে গাড়িটি মালিকের কাছে ফেরত দেয়া হবে।
এমএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

