বায়তুশ শরফ স্বর্ণপদক পাচ্ছেন আমার দেশ সম্পাদকসহ ৪ গুণীজন

বায়তুশ শরফ স্বর্ণপদক পাচ্ছেন আমার দেশ সম্পাদকসহ ৪ গুণীজন

বায়তুশ শরফ স্বর্ণপদক-২০২৫ পাচ্ছেন দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান ও আরও তিন গুণীজন। অন্যরা হলেন- দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই সিকদার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মুহিবউল্ল্যাহ ছিদ্দিকী এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল।

এর মধ্যে ড. মাহমুদুর রহমানকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণতন্ত্র, সুশাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদকের জন্য মনোনীত করেছে বায়তুশ শরফ আনজুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আবু সালেহ মুহাম্মদ ছলীমুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে চতুর্থ দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ গুণীজন সংবর্ধনা ও স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করবেন রাহবারে বায়তুশ শরফ ও আনজুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী (মা.জি. আ)। এতে দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম আলোচনা করবেন।

আয়োজকরা জানান, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই সিকদারকে জাতীয় পর্যায়ে ধর্মীয় মূল্যবোধ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রচার-প্রসার এবং সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মুহিবউল্ল্যাহ ছিদ্দিকীকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য চর্চায় বিশেষ অবদান ও ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিলকে ইসলামী শিক্ষা, ইসলামী দর্শন ও ইসলামী সংস্কৃতি বিষয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিশেষ অবদানের জন্য গুণীজন সংবর্ধনা ও বায়তুশ শরফ স্বর্ণপদক প্রদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু সালেহ মুহাম্মদ ছলীমুল্লাহ জানান, ১৯৮২ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সারাদেশে সাতশো প্রতিষ্ঠান রয়েছে বায়তুশ শরফের। কেবল চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফ কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসায় ছয় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এখানে শিক্ষা, সংস্কৃতি, তামাদ্দুনিক মানবসেবার প্রত্যেকটি কর্মসূচি রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা যুগ যুগ ধরে দ্বীন ইসলামের প্রচার-প্রসারের কেন্দ্র হিসেবে পরিচত। মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষ্যে ১৯৯৪ সাল থেকে গুণীজনের কদর করতে এবং সমাজে তাদের অবদান জানাতে বায়তুশ শরফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার (রহ.) এই সংবর্ধনা ও স্বর্ণপদক প্রচলন করেন। এ বছরও আজিজমুশ্শান মিলাদ মাহফিল, পাখ-পাখালির আসর, শানে মোস্তফা (স.) সহ পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।

গত বছর এই পদকে ভূষিত হয়েছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, প্রখ্যাত ইসলামী সাহিত্যিক প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান, লেখক ও গবেষক মো. মুখলেসুর রহমান ও কবি মুহিব খান।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন