পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে শুরু হয়েছে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি। এই দীর্ঘ ছুটিতে দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরের গতিশীলতা সচল রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিজিএমইর পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী জানান, বন্দর ও কাস্টমসকে আমরা বলব, ঈদের ছুটিতে তারা যেন ছূটি হিসেবে না নেয়। তারা যেন অপারেশন চালু রাখে। অন্যথায় আমরা উৎপাদনে বড় ধরণের গ্যাপে পড়ে যাব।
বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বিপ্লব জানান, ঈদের আগের চেয়ে ঈদের পরে একটা লম্বা ছুটি পড়বে। এই সময়টা স্বাভাবিকভাবে আমদানি ও রপ্তানিকারকদের জন্য চ্যালেঞ্জের। তাই সবাইকে সক্রিয় থাকতে হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (মেরিন অ্যান্ড হারবার) কমোডর আমিন আহমেদ আব্দুল্লাহ জানান, বিশেষ দুটি টাস্কফোর্স কাজ করবে অপারেশনে। এর মধ্যে একটি ঈদের সময় বহি:নোঙ্গরে পণ্য খালাস তদারকি করবে ও অন্যটি জেটি এবং ইয়াডে কাজ করবে। আরেকটি টাস্কফোস নিরাপত্তাজনিত বিষয়টি দেখবে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন জানান, কাস্টমের কার্যক্রম চালু রাখতে যেই পরিমাণ লোকবল দরকার সেই পরিমাণ লোকবল ঈদের বন্ধেও কাজ করবে। যেকোন মূল্যে আমরা কাস্টমসের কার্যক্রম চালু রাখব। তবে সব বিভাগের সহযোগিতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

