জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর পাওয়া মাত্র ধামরাইয়ে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ শুরু হয়।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকেল তিনটার দিকে পৌর যুদলের পক্ষ থেকে পৌরসভার গার্লস স্কুল সংলগ্ন মিডিয়া সেন্টার ধামরাই অফিসের সামনে এ আয়োজন করা হয়। সে সময় স্থানীয় লোকজনের মধ্য মিষ্টি বিতরণ পরে আনন্দ মিছিল করা হয়।
এ ছাড়াও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশে আনন্দে বন্য বয়ে যায় পুরো উপজেলায়।
উপস্থিত মহন আলী পেশায় ভ্যানচালক জানতে চাইলে তিনি আমার দেশকে বলেন, শেখ হাসিনা যে অপরাধ করেছেন ১০০ বার ফাঁসি দিলেও সেটা কম হয়ে যাবে। হাসিনার ফাঁসির রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এই রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।
উপস্থিত লোকজন বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল, এই মুহূর্তে খবর এল-খুনি হাসিনার ফাঁসি হলো, চব্বিশের বাংলায়-খুনি হাসিনার ঠাঁই নাই’।
এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে যুবদল নেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় ঐতিহাসিক। এই রায়ের মধ্য দিয়ে সারা পৃথিবীর সামনে একটা বড় নজির স্থাপিত হয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায়কে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আখ্যা দেন তিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

