আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

ছয় মাসে মোংলা বন্দরে উন্নয়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি আসবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

খান আশিকুজ্জামান, মোংলা (বাগেরহাট)

ছয় মাসে মোংলা বন্দরে উন্নয়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি আসবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ-এর আধুনিকায়ন ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে আগামী ছয় মাসের মধ্যে ব্যাপক সাফল্য দৃশ্যমান হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শনিবার দুপুর ১২টায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জেটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক বিকাশ, শিল্পায়ন এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে মোংলা বন্দরের ভূমিকা দিন দিন বাড়ছে। এ অঞ্চলের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও বেশি করে মোংলা বন্দরমুখী করা গেলে রাজধানী ও চট্টগ্রামমুখী চাপ কমবে, পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে এবং সময় সাশ্রয় হবে। সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনার আওতায় বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন এবং সেবা প্রক্রিয়ার ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

নৌপরিবহনমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই মোংলা বন্দর একটি আধুনিক, সক্ষম ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখবে।

মোংলা বন্দরে চালু হওয়া রেল সংযোগের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। নৌ ও রেল যোগাযোগের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে রেলপথ সম্প্রসারণ এবং নতুন রুট সংযোজনের বিষয়েও পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বন্দরের সক্ষমতা পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগানো যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরের আদলে মোংলা বন্দরকে একটি আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক সমুদ্রবন্দরে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রায় ১৫টি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। জেটি সম্প্রসারণ, আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি স্থাপন, ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বন্দরের সামগ্রিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহিন রহমান, সদস্য (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আবেদ হোসেন, উপ-পরিচালক মো. মাকরুজ্জামানসহ বন্দরের পদস্থ কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। বৈঠকে বন্দরের বর্তমান সক্ষমতা, কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং, জাহাজ আগমন-নির্গমন, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...