কাস্টমস কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক কর্মবিরতি ও এক দফা শাটডাউনের কারণে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পণ্য ওঠানামা, পরিবহণ, রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রমসহ সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। একইসঙ্গে মোংলা কাস্টমস হাউস ও ইপিজেডের কার্যক্রমও ছিল অব্যাহত।
মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার ম. সফিউজ্জামান বলেন, কর্মবিরতি বা শাটডাউনের কারণে কাস্টমসে কোনো রাজস্ব ক্ষতি হয়নি। বরং গত কয়েকদিন যেহেতু বন্দরে জাহাজের আনাগোনা ছিল না, সেহেতু পণ্য ছাড়ের কাজ কম ছিল। এখন নিয়মিতভাবে সব পণ্য ছাড় হচ্ছে, রাজস্ব আদায়ও স্বাভাবিক রয়েছে।
বন্দরের কার্যক্রম প্রসঙ্গে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (বোর্ড ও জনসংযোগ) মো. মাকরুজ্জামান বলেন, আন্দোলনের কারণে বন্দরের কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। আগের মতোই পণ্য ওঠানো-নামানো এবং ট্রান্সপোর্ট কার্যক্রম চালু ছিল। কোনো ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়নি।
এদিকে মোংলা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক কালাম মোহাম্মদ আবুল বাশার জানান, ২/১ দিনের সাময়িক বন্ধ ইপিজেডে বড় কোনো ক্ষতির কারণ হয় না। প্রতিদিন কমপক্ষে ১ ঘণ্টা করে হলেও কাজ চালু ছিল। চট্টগ্রাম বা ঢাকার মতো এখানে ভারী রপ্তানি নির্ভরতা নেই। ফলে ক্ষতির সম্ভাবনাও ছিল কম।
তিনি আরও বলেন, গত রাত থেকে স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হয়েছে। তাই আর্থিকভাবে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই।
বন্দর সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত তৎপরতায় মোংলা বন্দর ও কাস্টমস অঞ্চল কার্যত অচলাবস্থার মুখে পড়েনি। ফলে রাজস্ব আদায় ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেই কোনো নেতিবাচক প্রভাব।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

