চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদীতে মরা মুরগি ফেলে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে আর.আর.পি. পোল্ট্রি ফার্মের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সালামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৫ দিনের মধ্যে নদীর সব আবর্জনা পরিষ্কার করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) বেলা ৩টায় পৌর শহরের ভিমরুল্লাহ এলাকায় অবস্থিত উল্লেখিত পোল্ট্রি ফার্মে উপস্থিত হয়ে পরিবেশ দূষণের অভিযোগটির প্রমাণ পেয়ে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আলাউদ্দীন আল আজাদ এ জরিমানা করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অভিযানটি পরিচালনা করেন।
অভিযানে সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নরেশ চন্দ্র বিশ্বাসসহ জেলা পুলিশের একদল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নরেশ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে ও নদীর ভেতরে মরা মুরগি ফেলে পরিবেশ দূষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এতে ঐতিহ্যবাহী মাথাভাঙ্গা নদীর পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ৬(গ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫ ধারায় আর.আর.পি. পোল্ট্রি ফার্মের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সালামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও তা আদায় করা হয়। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নদীর তীর ও আশপাশের সব আবর্জনা পরিষ্কার করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
তিনি আরো জানান, এ ধরনের বর্জ্য ফেলার কারণে নদীর পানি দূষণ বাড়ছে এবং মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়ালে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

