ভালুকায় স্কুলছাত্রী অপহরণের এক মাস অতিবাহিত হলেও এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। নারাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীর পিতা ফিরোজ আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
এ ঘটনায় একই গ্রামের কাজল ফকিরের ছেলে রনি মিয়াকে (২৩) প্রধান আসামি করে ছয় জনকে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে বখাটে রনি মিয়া প্রায়ই তার পথ আটকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত এবং কুপ্রস্তাব দিতো। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থী তার পিতাকে জানালে এবং ফিরোজ আহমেদ বিষয়টি রনির বাবাকে জানানোর পর রনি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে গত ২৯ আগস্ট স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।
শিক্ষার্থীর পিতা ফিরোজ আহমেদ জানান, তার মেয়ে বেঁচে আছে নাকি তাকে মেরে ফেলা হয়েছে, তা তারা জানেন না। পুলিশ এখনো তাকে খুঁজে বের করতে পারেনি। পুলিশ তাকে ধরলেই মেয়েটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হতো। তিনি তার মেয়েকে অক্ষত অবস্থায় ফেরত চান।
নারাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক জানান, মেয়েটি তার স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী (রোল নম্বর ১১)। সে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু রায়হানের কাছে প্রাইভেট পড়ত। প্রাইভেট শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাকে অপহরণ করা হয় বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ পরিদর্শক মো. মশিউর রহমান জানান, ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে মাসু ও সানি নামের দুজনকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

