বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ বাড়ানোসহ বন্যহাতিকে পর্যটনের অংশ হিসেবে কাজে লাগানোর কথা জানিয়েছেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
শনিবার দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও বন্যহাতি সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বন্যহাতি ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। বন্যহাতি যেন মানুষের ফসলের বা সম্পদের ক্ষতি করতে না পারে, সে অনুযায়ী পরিকল্পনা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের পাশাপাশি শেরপুর জেলার পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, বন সংরক্ষক সানাউল্লাহ পাটোয়ারী ও জেলা পুলিশ সুপার এ কে এম জহুরুল ইসলাম। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম।
এ সময় নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী বন্যহাতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যদের মাঝে হাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম বিতরণ করেন।
মতবিনিময় সভার আগে মন্ত্রী বুরুঙ্গা ওসমানের খোল এলাকায় হাতি চলাচলের পথ এবং হাতিদের ব্যবহৃত একটি জলাধার পরিদর্শন করেন।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

