সড়কের সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

জেলা প্রতিনিধি, জামালপুর

সড়কের সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা বাসস্ট্যান্ড থেকে কামালখান বাজারের মধ্যবর্তী বড়বাড়ি এলাকার চিতই বিল সংলগ্ন সরকারি পাকা সড়কের পাশে থাকা কয়েকটি পুরোনো একাশি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন যুবদলের এক নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সড়কের পাশে হেলে পড়া গাছগুলো কেটে নিয়ে যান মিজানুর রহমান (মিজু), সোহেল ও শাহীন। অভিযোগ রয়েছে, কাটা গাছের কিছু অংশ তারা নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যান এবং অবশিষ্ট অংশ বিয়ারা বাজারে এমদাদের স-মিলে সংরক্ষণ করেছে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি গাছ কাটার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নিয়ম বা অনুমতি অনুসরণ করা হয়নি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে স-মিলের মালিক এমদাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। পরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ১১ খণ্ডের মধ্যে ৬টি গাছের ডালপালার অংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তবে বাকি ৫টি অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

অভিযুক্ত ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান (মিজু) বলেন, “গাছ কাটতে আমাদের অর্থ ব্যয় হয়েছে।” তবে গাছ কাটার ক্ষেত্রে কোনো সরকারি অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।

এদিকে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম মানিক জানান, উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে এবং বাকি অংশ উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

জেলা যুবদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা খান বলেন, “যুবদলে কোনো ধরনের অন্যায়কারীর স্থান নেই। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজনীন আখতার বলেন, “ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কাটা গাছ উদ্ধার এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত তা তদন্ত করার জন্য। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন