নাটোর-বগুড়া মহাসড়কে গাছে গাছে লাল কৃষ্ণচূড়া। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অনন্য অপরুপ রুপ ধারণ করছে সড়কটি। গ্রীষ্মের দাবদাহে মানুষ আর পশুপাখি যখন বেসামাল, ঠিক তখনই কৃষ্ণচূড়ার ফুলে বিচিত্র রুপ নিয়েছে নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, বৈশাখের রোদের সব উত্তাপ গায়ে মেখে রক্তিম হয়েছে পুষ্পরাজি। যেন কৃষ্ণচূড়ার রঙে মেতেছে সড়কটি।
প্রতিদিন উত্তরাঞ্চলের হাজার হাজার যানবাহন এ মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করে।
বর্তমানে এ সড়কে যাতায়াতকারীদের নজর কাড়ছে কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুল। সেই সঙ্গে মন রাঙাচ্ছে।
নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের সিংড়া উপজেলা এলাকার খেজুরতলা, বন্দর, শেরকোল, নিংগইন, বালুভরা, সিংড়া বাসস্ট্যান্ড, চৌগ্রাম, জামতলী ও বাঁশের ব্রিজ নামক জায়গাগুলোয় কৃষ্ণচূড়া ফুলে ভরা গাছগুলোতে সত্যিই দৃষ্টি কাড়ে দর্শনার্থীদের।
এ সড়কে যাতায়াতকারী ছবিরন-গুলজান স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক রবিউল করিম খোকন বলেন, ‘কৃষ্ণচূড়া ফোটার সঙ্গে সঙ্গে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন যাতায়াতের সময় ফুল দেখতে মনোমুগ্ধকর লাগে। মন খারাপ থাকলেও ভালো হয়ে যায়।
নাটোর এম কে অনার্স কলেজের শিক্ষার্থী তাবাসসুম মেহনাজ বলেন, কলেজে যাতায়াতের সময় কৃ ষ্ণচূড়া ফুলগুলো দেখলে মন জুড়িয়ে যায়।যা সত্যিই অসাধারণ।
দর্শনার্থীরা জানান, তারা যতবার এ সড়কে আসেন ততবারই কৃষ্ণচূড়া ফুলে মুগ্ধ হন।
জানা যায়, কৃষ্ণচূড়া গাছের আরেক নাম গুলমোহর। কিন্তু কৃষ্ণচূড়া নামেই বেশি পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। কৃষ্ণচূড়া ফুল তিন রঙের হয়- লাল, হলুদ ও সাদা। লাল ও হলদে প্রজাতির কৃষ্ণচূড়া ফুলের গাছ অনেক জায়গায়ই দেখা যায়। সাদা রঙের কৃষ্ণচূড়া দুষ্প্রাপ্য।
সিংড়া পরিবেশ ও প্রকৃতি আন্দোলনের সভাপতি মোল্লা মো. এমরান আলী রানা বলেন, গ্রাম ও শহর এলাকা থেকে দিনদিন কমে যাচ্ছে রঙিন কৃষ্ণচূড়া গাছ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি মানুষ ও প্রকৃতির স্বার্থেই বেশি করে কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগানোর আহ্বান এ পরিবেশবাদীর।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

